cbn  

সিবিএন ডেস্ক:
ইয়াবা চোরাচালান বন্ধের বিষয়ে তৃতীয়বারের মতো আলোচনায় বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। দুই দেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক পর্যায়ের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ ও ২১ আগস্ট।

সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মিয়ানমারকে ইয়াবা চোরাচালানের উৎস দেশ হিসেবে বিবেচনা করে থাকি আমরা। সেজন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক পর্যায়ে তৃতীয়বারের মতো বৈঠক হতে যাচ্ছে। সবশেষ আলোচনাটি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের মে মাসে।’

জানা গেছে, তদন্তের জন্য ২০১৩ ও ২০১৪ সালে দুই দফায় ৪৭ জন সন্দেহভাজন মিয়ানমার নাগরিকের তালিকা হস্তান্তর করেছেন তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মিয়ানমার কিছু জানায়নি।

ওই কর্মকর্তা জানান, সন্দেহভাজন নাগরিকই শুধু নয়, মিয়ানমারকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইয়াবা ল্যাবরেটরির তালিকাও দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু তারা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে কিনা তাও জানায়নি। এর মধ্যে একাধিক ল্যাবরেটরি আছে বাংলাদেশের ১০ মাইল সীমান্তের মধ্যে।

সরকারের আরেকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইয়াবার উৎস কোথায় এবং কোন রুট দিয়ে আসে, সেইসব তথ্য মিয়ানমারকে বাংলাদেশ দিয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে তাদের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

এই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘সীমান্ত অঞ্চলে পপি ও গাজার উৎপাদন ধ্বংস করে দিয়েছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু মিয়ানমার তাদের দিককার এসব পণ্যের উৎপাদন ধ্বংস করেছে কিনা তা আমরা জানি না।’

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়াবা চোরাচালান আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের এক হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে ইয়াবা চোরাচালান বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ গুণ। এ কারণে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে যুবসমাজ। ফলে ইয়াবা সংক্রান্ত অপরাধের সংখ্যাও বাড়ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •