ইমাম খাইর, সিবিএন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী জামাল হোসাইনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মারামারির অভিযোগে টেকনাফ থানায় আরো তিনটি মামলা হয়েছে।
মামলাগুলো হলো- জিআর ৬১৯/১৭, জিআর ৬২৭/১৭ এবং জিআর ৬২৮/১৭।
এসব মামলায় তাকে শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার আদালাতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান কোর্ট ইন্সপেক্টর রনজিত বড়ুয়া।
এর আগেও জামাল হোসাইনের বিরুদ্ধে অর্ধডজনের বেশী মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।
শুক্রবার রাতে জামাল হোসাইনকে হ্নীলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে একটি খামার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার ইয়াবা, একটি বন্দুক ও চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করে বলে দাবি করে পুলিশ।
টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈন উদ্দিন খান জানান, জামাল হোসাইন উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্য তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে।
ওসি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ৭৬৪ জনের তালিকায় হ্নীলা ইউনিয়নের গড ফাদার হিসেবে তার নাম রয়েছে।
এদিকে শনিবার দুপুরে জামাল হোসাইনকে থানা থেকে আদালতে নেওয়ার সময় তাঁর স্ত্রী খুরশিদা বেগম লোকজন নিয়ে থানা ভবন ঘেরাও করে। এ সময় স্বামীর মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে থানার ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ শক্ত হাতে বিষয়টি কন্ট্রোল করেন। এটি দ্রুত প্রচার পেলে টেকনাফসহ পুরো জেলায় হৈ চৈ পড়ে যায়।
সুত্রে জানা গেছে, শুধু জামাল হোসাইন নন, তার পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গত ১৫ মে তার বাড়ী থেকে বিপুর পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।
এতে জড়িত থাকার অভিযোগে তার দুই ছেলে মো. শাহনেওয়াজ ( ৩৫) ও মো. শাহ আজম (৩০)কে পলাতক দেখিয়ে টেকনাফ থানায় মামলা হয়। থানা মামলা নং-৪১/১৭।
থানার এসআই মো. মফিজুল ইসলাম খাঁন এ মামলা করেন। মামলায় ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখায় পুলিশ।
যদিওবা ৪ লাখের মতো ইয়াবা ওই দিন জামাল হোসাইনের বাড়ী থেকে উদ্ধার করা হয় বলে অসর্মিত একটি সুত্রে জানা গেছে।

 

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •