ডেস্ক নিউজ:

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে ১৯ দিন পর হারিয়ে যাওয়া প্রতিবন্ধি সন্তান সাবিহাকে (১০)ফিরে পেলো তার বাবা-মা। শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বিপিএম শিশু সাবিহাকে তার বাবা মায়ের কাছে হস্তান্তর করেন।

মানিকগঞ্জ থেকে ১৯দিন আগে সাবিহাকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় পান মফে বিশ্বাস নামে এক জেলে। পরে তিনি মেয়েটিকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ সুপার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে উদ্ধার হওয়া শিশু সাবিহার ছবি আপলোড করেন। এরপর ওই ছবির সূত্র ধরে সাবিহার বাবা মিলন ও মা হাজেরা খাতুন তাদের হারিয়ে যাওয়া মেয়েকে চিহ্নিত করেন। পরে ওই দম্পতি মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান শিশুটিকে তার বাবা মায়ের কাছে হস্তান্তর করেন।

সাবিহাকে হস্তান্তরের সময় পুলিশ সুপার ছাড়াও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ সরকার, জেলে মফে বিশ্বাস, শিশুটি বাবা মিলন, মা হাজেরা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তার স্বজনরা জানান, চলতি মাসের ১১ জুলাই মিলন তার স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে নবীনগরের গাজীরচট থেকে গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা থানার বাবুগ্রামে যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি প্রকৃতির ডাকে মানিকগঞ্জের তরা ব্রিজের নিচে কালিগঙ্গা নদীর পারে যান। ওই সময় মেয়ে সাবিহা নদীতে পড়ে যায়। রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজির পর মিলন তার স্ত্রীর কর্মস্থল নবীনগরের গাজীরচটে ফিরে যান। এদিকে রাত ৮টার দিকে কালিগঙ্গা নদীর দেড় নোটিক্যাল ভাটিতে মফে বিশ্বাস নামে স্থানীয় এক জেলে মেয়েটিকে নদী থেকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশের সাহায্য নেয়। এ কয়দিন তার বাড়িতে মেয়েটিকে রাখার ব্যবস্থা করেন পুলিশ সুপার। ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়ার ১৮দিন পর শিশু সাবেহা তার পরিবারের কাছে ফিরে গেলো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •