পাকিস্তানে ভাইয়ের ধর্ষণের অপরাধে জনসমক্ষে বোনকে ধর্ষণ

বিবিসি : পাকিস্তানের একটি গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে ভাইয়ের অপরাধে তার কিশোরী বোনকে ধর্ষণ করার নির্দেশ দেয়ার পর পুলিশ অন্তত বিশ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মুলতানের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বলছে, সালিশ বৈঠকের ওই সিদ্ধান্তে দুইটি মেয়ের পরিবারও জড়িত ছিল।
এ ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করেছে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে পাঞ্জাব পুলিশ প্রধানকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আল্লাহ বক্স নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, এ মাসের শুরুর দিকে ওই গ্রামের জিরগায় (গ্রাম্য সালিশ) একজন ব্যক্তি অভিযোগ করেন যে, যে তার ১২ বছরের বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এরপর সালিশ বৈঠকে শাস্তি হিসাবে ওই ধর্ষণকারীর ১৬ বছরের চাচাতো বোনকে ধর্ষণ করার আদেশ দেয়া হয়।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়েটিকে জোর করে সালিশি বৈঠকে নিয়ে আসা হয়। এরপর বাবা-মার উপস্থিতিতেই সবার সামনে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

সালিশ বৈঠকে একদল লোকের সামনে কিশোরী মেয়েটিকে জোর করে ধরে আনা হয় এবং সবার সামনে ধর্ষণ করা হয়

পরে মেয়ে দুইটির মা স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন। শারীরিক পরীক্ষায় দুই মেয়েই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশ বলছে, ২৫জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় জিরগা বা গ্রাম্য সালিশ বৈঠকের ধর্ষণের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে বিবিসির সূত্রগুলো বলছে যে, জিরগায় আসলে দুই পরিবারের সদস্যরা মিলেই ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ১২ বছরের মেয়েটির ধর্ষণকারীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা। পরে তাকে তার বাবার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে কিশোরী মেয়েটিকে ধর্ষণ করে প্রথমে ধর্ষিত মেয়েটির ভাই।
পরে উভয় পরিবার থেকেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়।
পাকিস্তানের প্রত্যন্ত গ্রামের নানা সমস্যা সমাধানে বয়স্কদের নিয়ে গঠিত জিরগা ভূমিকা রেখে থাকে। যদিও আইনত এসব জিরগা অবৈধ এবং এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের একাধিক রুলিং রয়েছে।

২০০২ সালে এরকম একটি জিরগা ২৮ বছর বয়সী মুখতার মাইকে গণধর্ষণের আদেশ দেয়, যার ১২ বছর বয়সী ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, একজন বয়স্কা নারীর সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে।
ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে মামলা করেন, যা পাকিস্তানে বিরল একটি ঘটনা।
গ্রামে মেয়েদের জন্য তিনি স্কুল খুলেছেন এবং একটি আশ্রয় কেন্দ্র চালু করেছেন।
মিজ মাই এখন বিশ্বে একজন সোচ্চার নারী অধিকার কর্মী হিসাবে পরিচিত মুখ।

সর্বশেষ সংবাদ

No more than 2500 Easy Bikes in the city, Acting D.c Ashraf

An awaiting repatriation

25 elites relate to Yaba, SP Masud Hussain

উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : সড়ক বিভাগের জমিতেই নান্দনিক ৪ লেন সড়ক

কক্সবাজারে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৪.৩৯%

নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করতে পারেন কাদের

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে

নিমিষেই এনআইডি যাচাই করবে ‘পরিচয়’

মনের শক্তিতে জিপিএ-৫ পেলো পটিয়ার সাইফুদ্দিন রাফি

হজে এবার ৮০০ কোটির ওপরে আয় করবে বিমান

ধর্মীয় নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ডিসি সম্মেলনে

ওসি খায়েরের চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা, মনসুরের চ্যালেঞ্জ ইয়াবা

রামুর তাঁতী লীগ নেতা মোঃ কায়েস মেম্বারের সফল অপারেশন সম্পন্ন

এইচএসসিতে নাইক্ষ্যংছড়ি সরকারী কলেজের পাসের হার ৭৯.১১শতাংশ

পরকালে মুক্তির জন্য ওহী ভিত্তিক শিক্ষার বিকল্প নাই – আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী

বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত শেখ হাসিনা

মহেশখালীর প্রধানসড়কে ১০ ঘন্টায় নির্মিত হল বেইলী ব্রীজ

চকরিয়ায় হামিদের খুনিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

আলোচিত লাইনম্যান রশিদ আটক!

এইচএসসি ফলাফলে কক্সবাজার কলেজ গৌরবজনক অবস্থানে , জিপিএ ৫ – ৫১জন