টেকনাফ পৌরসভার পোনে ১৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

আমান উল্লাহ আমান, টেকনাফ:

টেকনাফ পৌরসভার ২০১৭-২০১৮ অর্থসনের ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৮.৫৯ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাতে ৬ কোটি ২৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৮ টাকা, উন্নয়ন খাতে ১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ও সার্বিক বাজেট উদ্ধৃত্ত ৫৯ লক্ষ ১৬ হাজার ৭৪৮ টাকা ধরা হয়েছে।

(২৬ জুলাই) বুধবার সকাল ১১ টায় টেকনাফ পৌর ভবনে মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাজেট ঘোষণা করেন। বাজেটে উন্নয়ন খাতে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, হাট বাজার ইজারা ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা, বাস স্ট্যান্ড ইজারা ২৬ লক্ষ, ফেরি ঘাট ইজারা ২৩ লক্ষ টাকা, মিয়ানমার যাতায়াত ঘাট ৫ লক্ষ, দরপত্র সিডিউল বিক্রি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার, গৃহ ও ভূমি কর ৩২ লক্ষ, স্থাবর সম্পত্তি হস্থান্তর কর ৫০ লক্ষ, পেশা, ব্যবসা ও কলিং বাবত ১৪ লক্ষ, বোট লাইসেন্স বাবদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং বাজেটে ব্যয় খাতে রাস্তা নির্মাণে ৮০ লক্ষ, রাস্তা মেরামত ও সংস্কারে ২০ লক্ষ, হাট বাজার উন্নয়নে ৫০ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে। মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম বাজেটের উপর উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এসময় মেয়র হাজী মোঃ ইসলাম বলেন, ছোট একটি শহরের প্রতিদিনি হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা। এছাড়াও পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যা বাদে রোহিঙ্গাদের অতিরিক্ত চাপ পৌরসভাকে সহ্য করতে হচ্ছে। তাছাড়াও ৬টি ইউনিয়নের মানুষ টেকনাফ পৌরসভায় প্রতিনিয়ত আসা যাওয়ার ফলে যান চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪০ ফুট সড়কে এতো গাড়ীর চলাচল যানজট সৃষ্টি অবশ্যই। এক্ষেত্রে সকলের ভাল পরামর্শ গ্রহনযোগ্য হবে এবং বাস, ট্রাক ও দুরপাল্লার গাড়ীগুলো অতিসত্ত্বর টার্মিনালে হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি মডেল টেকনাফ পৌরসভা উপহার দেওয়া হবে। এছাড়াও হাজী মোঃ ইসলাম টেকনাফ পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভায় উন্নীত করার জন্য সকলের ঐক্যবদ্ধ সহযোগীতা, যানজট নিরসনের টার্মিনাল ব্যবহার, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। তাছাড়া স্যানিটেশন, শিক্ষা, ক্রিড়া, উচ্ছেদ অভিযানসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাজেট অনুষ্ঠানে প্যানেল মেয়র-২ আবদুল্লাহ মনির, প্যানেল মেয়র-৩ কোহিনুর আক্তার, কাউন্সিলর নাজমা আলম, হোছন আহমদ, শাহ আলম, রেজাউল করিম মানিক, নুরুল বশর নওশাদ, পৌর সচিব মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন ফয়েজী, পৌর প্রকৌশলী জহির উদ্দিন আহমদ, হিসাব রক্ষক মোঃ সৈয়দ হোসেন, উচ্চমান সহকারি মোর্শেদুল ইসলামসহ সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের মূল কেন্দ্রকে নিয়ে ২০০০ সালে পৌরসভা গঠিত হয়। আয়তনের দিক থেকে পৌরসভা শহরটি অত্যান্ত ছোট। জনসংখ্যার তুলনায় পৌরসভাটি ছোট হলেও এর আধুনিকায়নের জন্য কোন পরিকল্পনা এখনো পর্যন্ত হয়নি। অতীতের যে সমস্ত সড়ক, কালভাট, সেতু, হাটবাজার, মার্কেট ও ফুটপাথ এখনো বহাল তবিয়তে। ফলে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে যানজটও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সড়ক বৃদ্ধি ও প্রশস্থকরণ করা হচ্ছে না। এতে দিন দিন যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে বলে সচেতনমহলের অভিমত।

সর্বশেষ সংবাদ

কেন শেখ হাসিনাকেই আবার ক্ষমতায় দেখতে চায় ভারত

দাঁতের ইনফেকশন থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নিযুক্ত হলেন আনছার হোসেন

তারেকের বিষয়ে ইসির কিছুই করার নেই

গণফোরামে যোগ দিলেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা

৬০ আসনে জামায়াতের ‘দর-কষাকষি’

চকরিয়ায় মধ্যরাতে স্কুল মাঠে ঘর তৈরির চেষ্টা

চকরিয়া-পেকুয়ায় মনোনয়ন পেতে মরিয়া জাফর আলম

তারেকের ভিডিও কনফারেন্স ঠেকাতে স্কাইপি বন্ধ করল বিটিআরসি

খুটাখালী বালিকা মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ

চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষনা

ইসির নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা জানেন না জেলা নির্বাচন অফিসার

প্রশাসন ও পুলিশে রদবদল করতে যাচ্ছে ইসি

আ’লীগের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি: ওবায়দুল কাদের

মাদকের কারণে কক্সবাজারের বদনাম বেশি -অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে কক্সবাজারকে এগিয়ে নিতে চান আনিসুল হক চৌধুরী সোহাগ

আগাম নির্বাচনি প্রচার সামগ্রী না সরানোয় জরিমানার নির্দেশ ইসি’র

টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশ্ব টয়লেট দিবস পালিত

রাঙামাটিতে যৌথ অভিযানে তিন বোট কাঠসহ আটক ৭

বিএনপি’র প্রতীক ‘ধানের ছড়া’ না ‘শীষ’?