পেকুয়া সংবাদদাতা :

পেকুয়ায় পরীক্ষায় নকল করতে না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কলেজ শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনার ৮ মাস পর অবশেষে অভিযুক্ত ছাত্র সালাহউদ্দিনকে আটক করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। গতকাল রাতে পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজার থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। সে ওই মামলার প্রধান আসামী। কলেজ ও থানা সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজে এইচ এসসি নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালীন নকল করতে বাঁধা দেয়ায় কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী শিক্ষকদের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এসময় কলেজের শিক্ষক বশির আহমদ, মোহাম্মদ আলম ও ডেমুনেষ্টেটর এনামুল হক গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি করে দেয়। কমিটি তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আটক সালাহউদ্দিন সহ ৯ ছাত্রকে অভিযুক্ত করে একটি রিপোর্ট জমা দেয়। ওইদিনই চিহ্নিত হামলাকারী ছাত্রদের কলেজ থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয় এবং ঘটনার ৩ দিন পর অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে ৯ হামলাকারী ছাত্রকে আসামি করে পেকুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পেকুয়া থানা মামলা নং ৮ তারিখ: ০৯-১১-২০১৬ ইং। আটক সালাহউদ্দিন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র ও সদর ইউনিয়নের সরকারীঘোনা এলাকার মনজুর আলমের পুত্র ও পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক। মামলায় আর যাদের আসামি করা হয় তারা হলো, ২য় বর্ষের ছাত্র মিনার, ইব্রাহীম খলিল খোকন, রেজাউল করিম, খোরশেদ আলম, আবদুর রহমান জয়, জয়নাল আবেদীন প্রমূখ। অপর ২ আসামি আরিফুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তদন্ত কমিটি তাদেরকে রিলিজ দিলেও মামলায় তারা এখনো আসামি রয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুরুল কাদেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আটক ছাত্র সালাহউদ্দিনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। কলেজে শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনা তার নেতৃত্বে সংঘঠিত হয়েছিল উল্লেক করে তিনি বলেন, পুলিশ অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •