মহেশখালীতে অস্ত্র ও গুলিসহ জামাতের ৫ ক্যাডার গ্রেপ্তার: আহত ১

প্রকাশ: ২৭ জুন, ২০১৭ ০৩:৫৬ , আপডেট: ২৭ জুন, ২০১৭ ০৩:৫৮

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


ছবিরক্যাপশন- মহেশখালীর শাপলাপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ জামাতের ৫ ক্যাডার গ্রেপ্তার।
হারুনর রশিদ,মহেশখালী :

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মুকবেকী গ্রামে অস্ত্র ও গুলিসহ জামাতের ৫ ক্যাডার গ্রেপ্তার হয়েছে। ২৬জুন রাত সাড়ে ১০টার সময় মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এর নেতৃত্বে এস আই রাজু,এএসআই শহিদুল,এএসআই সনজিদসহ একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা জামাতের আমির জাকের হোসেন এর বাড়ীতে। এসময় পুলিশের উপস্থিতিটের পেয়ে অন্যান্যরা পালিয়ে গেলেও ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি কাটা বন্ধুক,৬ রাউন্ড তাজা কাতুর্জ ও বিভিন্ন সাইজের ৬টি রাম দা উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মুকবেকী এলাকার মৃত এজলাস মিয়ার ছেলে মো: শহীদুল্লাহ(৪০),পশ্চিমপাড়ার মৃত আলী মিয়ার ছেলে মো: শফিউল আলম(৪০),খুশিয়ারপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদ এর ছেলে আতাউর রহমান(২৬),বুধারপাড়ার মৃত এমদাদুল হকের ছেলে আশরাফ হোছাইন প্র:টিপু(২১), মৌলভী কাটা এলাকার মনজুর আহম্মদ এর ছেলে মোহাম্মদ হানিফ(১৯)।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মনজুর আলম নামের এক ব্যক্তি সিবিএনকে জানায়- সরকার বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে আটককৃতরা ঈদের দিন ; মুকবেকী জামে মসজিদের ঈদ জামাতে নাশকতা চালানোর চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় বাহাদুর নামের এক যুবক বাঁধা দিতে চেষ্টা করে। ক্ষিপ্ত হয়ে আটককৃতরা বাহাদুরের উপর হামলা চালায়। ওই হামলায় বাহাদুর মারাত্বক আঘাত প্রাপ্ত হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় বাহাদুর কে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে । বর্তমানে বাহাদুর মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খবর পেয়ে ওই এলাকায় মহেশখালী থানার একদল পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারীরা গাঢাকা দেয় পাহাড়ের দিকে। পরে রাত সাড়ে ১০টার সময় জামাতের আমির জাকের হোসেন এর বাড়ীতে সন্ত্রাসী অস্ত্রধারীরা অস্ত্রসহ অবস্থান করছে;এমন গোপন  খবর পেয়ে  ওই বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে জামাত ক্যাডার দের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মহেশখালী থানা সূত্রে জানা যায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ,নাশকতা সহ বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে ।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ সিবিএনকে জানান-গ্রেপ্তারকৃতরা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ, নাশকতাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হবে এবং তাদের গড ফাদারদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের চিরুণী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •