টেকনাফে পাহাড়ে ঝুঁকিতে ৩০ হাজার পরিবার

আবুল আলী, টেকনাফ:

টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাসহ প্রায় ৩০ হাজার পরিবার। এই বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধ্বসে ঝুঁকিপুর্ণ এসব বসবাসকারীদের প্রাণহানির আশংকা রয়েছে এলাকাবাসীর। বিগত সময়গুলোতে পাহাড় ধ্বসে অর্ধশতাধিক মানুষ প্রাণ হারালেও পূণবার্সন না করায় আবারও ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে আসছে তারা। উপজেলা জুড়ে পাহাড়ে দিন দিন বসতি স্থাপনা বাড়ছে। এদের অধিকাংশ রোহিঙ্গা পরিবার। প্রতিনিয়ত সীমান্ত রক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে বন সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণ স্থাপনা করছে।

এমনকি টেকনাফ পুরাতন পল্লান পাড়া ও নাইট্যং পাড়া বনবিভাগের অফিসের পাশে স্থানীয় প্রভাবশালীর নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারী পাহাড় রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবছর বর্ষায় প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে নিহতের ঘটনা ঘটলেও কিন্তু বর্ষা মৌসুমে শুরুতে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে বসবাসকারীদের এখনোও উচ্ছেদ করা হয়নি।

নাইট্যং এলাকার সব্বির আহাম্মদ বলেন, আমাদের যাওয়া মত জাগায় নাই সে জন্য পাহারের একটা ছোট ঝুকির ঘর করে জীবনের বেসে আছি না হলে মরে সাড়া কোন উপায় নাই

এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, টেকনাফের নাইট্যংপাড়া, পুরাতন পল্লান পাড়া, ফকিরা মুড়া, লম্বরী, জাহালিয়া পাড়া, হাবির ছড়া, রাজারছড়া, বরইতলী, কেরুনতলী, হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া, জাঁদিমুড়া, পানখালী, উলুচামরী, মৌলভী বাজারের রোজার ঘোনা, মরিচ্যা ঘোনা, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কম্বনিয়া পাড়া, নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া, নয়াপাড়া, কাঞ্জর পাড়া, লম্বাবিল, লাঁতুড়ি খোলা, চাকমা পাড়া, ও বাহারছড়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় বনবিভাগের পাহাড়ে স্থাপনা তৈরী করে বসতবাড়ি করে ঝুকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার।

উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ প্রতিবছর বর্ষার শুরুতে ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করেন কিন্তু এবছরের এখনো পর্ষন্ট কোন মাইকিং করা হয়নি। সামনে আবারো ভাড়ি বর্ষা মৌসুম। আতংক দেখা দিয়েছে এসব পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী পরিবার গুলোর মাঝে। বিপদ জেনেও ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে আসছে এরা। তাতে দেখা গেছে পাহাড়ের বনভূমি বালু মিশ্রিত। সেখানে বসতি তো দূরের কথা কোন ধরণের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য উপযুক্ত নয়। কিন্তু এসব পাহাড়ের বনভূমিগুলো সরকারি বন বিভাগের হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা আদিবাসী, রোহিঙ্গা, স্থানীয় হতদরিদ্র পরিবার ও প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদ হোসেন সিদ্দিকি জানান, ঝুকিপুর্ণ পাহাড়ী বসবাসকারীদের মাইকিং করে সরে যেতে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যারা ঝুকিপূর্ণভাবে বসবাস করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফের ইয়াবা রানী ইয়াসমিনসহ দুইজন আটক, মিললো বস্তাভর্তি ৭২ হাজার ইয়াবা

টেকনাফে ২০ হাজার ইয়াবাসহ তিনজন আটক

বালুখালী শরণার্থী ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা বৃদ্ধ অপহরণ, মুক্তিপণ দাবী

যানজটমুক্ত করতে মাঠে অটোবাইক মালিক চালকরা

বিতর্কিত ডিজিটাল আইন সংবিধান বিরোধী

কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন রোনালদো

ঘামের গন্ধে কাছে আসে যে সাপ

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব ফের গ্রেফতার

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কবার্তা

এক নিয়োগ আবেদনে ৪০ কোটিরও বেশি আয়

আলোচনায় বসতে মোদিকে ইমরানের চিঠি

চকরিয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে যুবককে ধরে নিয়ে মাথান্যাড়া শাস্তি!

বিতর্ক প্রতিযোগিতাঃ বাংলায় দর্শন বিভাগ, ইংরেজিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ চ্যাম্পিয়ন

খুটাখালী বিএনপি নেতা ডাঃ শফির পিতার ইন্তেকাল

ভারসাম্যপূর্ণ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক

কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ৮জন আসামী গ্রেফতার

নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের পিতার মৃত্যু : বিভিন্ন মহলের শোক

পেকুয়ায় মা-মেয়ের উপর হামলার ঘটনার মূলহোতা আব্বাস গ্রেপ্তার

সরকারের হুমকিতে দেশ ছাড়েন এস কে সিনহা : বিবিসির খবর (ভিডিও)

রামুতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা-২১ সেপ্টেম্বর