বাবা-মা হত্যা : মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে ঐশীর যাবজ্জীবন

বাবা-মাকে হত্যার অভিযোগে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ঐশী রহমানের সাজা কমিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার ঐশী রহমানের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

গত ৭ মে এ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। সেদিন বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।

এর আগে, গত ১০ এপ্রিল মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে ঐশীকে হাইকোর্টে হাজির করা হয়। সেদিন খাস কামরায় দুই পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে তার সঙ্গে কথা বলেন বিচারকরা।

তার আগে ১২ মার্চ ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানকে হত্যার দায়ে ২০১৫ সালের নভেম্বরে তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ঐশীর বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মামলার অন্য আসামি আসাদুজ্জামান জনিকে খালাস দেন আদালত।

রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টে ঐশীর আইনজীবী আপিল আবেদন করেন। এর আগে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবেও মামলাটি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ওই দিন ৬ ডিসেম্বর ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে ঐশী রহমান হাইকোর্টে আপিল করেন। আপিলে তিনি বলেছেন, তার বিচার প্রক্রিয়া ছিল ভুলে ভরা। মিথ্যা সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বয়সের ক্ষেত্রে মামলার বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করেনি আদালত।

স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শিশু গৃহকর্মীকে নিয়ে মালিবাগের চামেলীবাগের এক ফ্ল্যাটে থাকতেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (রাজনৈতিক শাখা) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান। ২০১৩ সালের ১৬ অগাস্ট ওই বাসা থেকেই তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এর পরদিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মাহফুজুর রহমানের ভাই মশিউর রহমান ওই দিনই পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। ২৪ আগস্ট ঐশী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে পরে তিনি ওই জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

২০১৫ সালের ৯ মার্চ ঐশী ও তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র এবং নিহতদের বাসার শিশু গৃহকর্মী সুমীর বিরুদ্ধে শিশু আইনে পৃথক অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে ওই বছরের ৬ মে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রথমে ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে মামলাটি (নিষ্পত্তি)বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠায়। ট্রাইব্যুনাল ৩০ নভেম্বর আবারও অভিযোগ গঠন করে।

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ

পুলিশ ব্যারাক থেকে চুরি করে যে চোর আদালত ভবনে ঘুমায়!

যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে বাঙ্গালহালিয়ায় মানববন্ধন

গরম কমার আভাস দিল আবহাওয়া অফিস

কাঁদছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিমের সহকর্মীরা, কাঁদছে পুলিশ

তোতা মিয়ার বয়ান

খরুলিয়ায় সিএনজি ড্রাইভার নিখোঁজ

নতুন বাজেট, নতুন উদ্যোগ

মালয়েশিয়ার সারওয়াক প্রদেশে শ্রমিক পাঠাবে বাংলাদেশ

এটাই জীবন!

চিটাগাং চেম্বার অফ কমার্স’র পরিচালক হলেন এশিয়ান গ্রুপের সাকিফ আহমেদ সালাম

হোটেল অভিসারে অভিযান, জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেল ম্যানেজার

কনস্টেবলের বুদ্ধিমত্তায় কুপোকাত দারোগা- সাংবাদিক!

ভিজিডির সঞ্চয়ের অর্থ ফেরত পেতে নানা জটিলতা

সেন্টমার্টিনে বিজিবিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ

নাইক্ষ্যংছড়িতে চোলাই মদ ও মাইক্রোসহ ৩ জন আটক

ভারতে ইভিএম কারচুপির আতঙ্কে বিরোধী দলগুলো, কড়া নজরদারি

শেরে বাংলা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন অধ্যক্ষ মো: আবদুল হক

বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন পেলেন খালেদা

ভূমি অধিগ্রহণে ৪ ধারার নোটিশের পর মামলা করা যাবে না