শহরে মিষ্টিবন’র রুচিশীল ইফতার পসরা

এম.এ আজিজ রাসেল

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার মেন্যুতে স্বাস্থ্য সহায়ক খাবার রোজাদারদের প্রত্যাশিত পছন্দ। যার জন্য ইফতার আয়োজনে যোগ হয় রাজকীয় নানা আইটেম। ঘরের বাইরে যদি পাওয়া যায় নিজের পছন্দের সুস্বাদু খাবার, তাহলে কোন কথায় নেই। চট করে লুপে নেয়া যাবে ইচ্ছেমতো। সচেতন এসব রোজাদারদের কথা মাথায় রেখে  শহরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিবন পসরা সাজিয়েছে রুচিশীল হরেক রকম ইফতার। ৪ জুন রবিবার বিকালে মিষ্টিবনের ইফতার আয়োজনে গিয়ে দেখা যায়, বাহারি সাজ। ক্রেতাদের স্বাগত জানাতে তৈরি হয়েছে নান্দনিক ছামিয়ানা। এর নিচে পরিপাটি করে ধুলোমুক্ত বক্সে স্থান সাজানো হয়েছে লোভনীয় নানা আইটেম। এসব খাবারের প্রতি নজর পড়ে প্রধান সড়ক থেকেই। দুপুরের পর থেকে এখানে ক্রেতাদের ভীড় বাড়তে থাকে। আগত ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক সেবা দেন বিক্রয়কর্মীরা। এবার প্রায় ২০ রকমের খাবার নিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে মিষ্টিবনের ইফতার মেন্যু। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে চিকেন ফ্রাই, ডিম ফ্রাই, আলুর চপ, পিয়াজু, পাকুরা, সবজি বড়া, সিঙ্গারা, সমুচা, চিকেন স্টিক, বেগুনি, মরিচা, ছোলা, দই, ফিরনি, শাহী জিলাপী, মাটন ও চিকেন হালিম। এসব খাবারের দামও স্বাধ ও স্বাধ্যের মধ্যে রয়েছে।

এখানে ইফতার কিনতে আসা ব্যবসায়ী শাহীন, ব্যাংকার আরফাত ও আইনজীবী নজরুল জানান, প্রতি রমজানে মিষ্টিবন থেকে পছন্দের আইটেম গুলো কিনে নিয়ে যায়। এখানকার ইফতার পরিবারের সবার পছন্দ। তাই কোন কিছু না ভেবে মিষ্টিবরে চলে আসি। জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে খাবার জগতে সুনামের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। শহরে খাবার জগতে ক্রেতাদের আস্থা ও ভালবাসার অন্যতম প্রতীক মিষ্টিবন।

মিষ্টিবন এর ইনচার্জ বাবু স্বপন গুহ ও ম্যানেজার মিন্টু জানান, ক্রেতাদের ভালবাসায় এই প্রতিষ্ঠান অনেকদুর এগিয়ে এসেছে। ভালবাসার অটুট এই বন্ধন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর আমরা। ব্যবসার আগে ক্রেতাদের চাহিদাকেই আমরা মূল্যায়ন করি অধিক। তাই এর প্রসারতা বাড়ছে দিনদিন।