আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ জব্দ চলছে

বাংলা ট্রিবিউন:
 বৈধ কাগজ-পত্র ছাড়াই আপন জুয়েলার্সে থাকা সাড়ে ১৩ মণ সোনা জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। রাজধানীতে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে একযোগে এ কাজ শুরু হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মইনুল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 এ পরিমাণ সোনার কোনও বৈধ কাগজপত্র আপন জুয়েলার্সের মালিক দেখাতে না পারায় তা অনুষ্ঠানিকভাবে জব্দের সিদ্ধান্ত নেয় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। তবে কোনও গ্রাহক যদি সোনা বা সোনার অলঙ্কার জমা রাখার কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাদের গচ্ছিত সম্পদও ফেরত দেওয়া হবে।

শুল্ক গোয়েন্দার উপ-পরিচালক (ডিডি) জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সীমান্ত স্কয়ারের আপন জুয়েলার্স শাখার স্বর্ণ জব্দের কাজ চলছে। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  ‘আমরা কাস্টম হাউজের গোডাউন কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দেবো। আইন অনুযায়ী প্রথমে তিনি বুঝে নেবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছে বুঝিয়ে দেবেন। আমরা বর্তমানে জব্দের তালিকা করছি।’

.

 মৌচাক শাখায় স্বর্ণ জব্দ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিডি সাইফুর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঢাকা কাস্টম হাউজের গোডাউন কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আমাদের কাছে আগেই জব্দের তালিকা ছিল। সেটা মিলিয়ে হিসাব অনুযায়ী গোডাউন কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছি। তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে কোনও গ্রাহক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আর সেরকম সুযোগও আজকে নেই।’

.

সীমান্ত স্কয়ারে আপন জুয়েলার্সের শাখায় শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারাএর আগে শনিবার ডিজি মইনুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘আমরা র‌্যাব ও পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। কাল (রবিবার) একদিনেই সব কাজ সেরে ফেলবো।’

তিনি আরও জানান, এসব সোনা-হীরা ঢাকা কাস্টমস হাউসের শুল্ক গুদামের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে। এরপর আইনি প্রক্রিয়ায় জব্দকৃত সোনা ও হীরা শুল্ক আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। শুল্ক গোয়েন্দার ৫টি দল রবিবার সকাল থেকে এই জব্দ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া তদারকি করবেন।

.

এই ট্রাংকে করেই জব্দ করা স্বর্ণ নেওয়া হবেপ্রসঙ্গত, ১৪ ও ১৫ মে শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, সীমান্ত স্কয়ার ও মৌচাকের ৫টি শোরুমে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১৩ মণ সোনা ও ৪২৭ গ্রাম হীরা সাময়িকভাবে আটক করে। এসব সোনা ও হীরার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ। এগুলো পরে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনে আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে ৩ বার শুনানির সুযোগ দিলেও তারা এসব সোনা-হীরার কোনও প্রকার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দেওয়া ১৮২ জনের তালিকার মধ্যে ৮৫ জন প্রকৃত গ্রাহককে মেরামতের জন্য জমা রাখা প্রায় ২.৩ কেজি স্বর্ণালঙ্কার অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে আরো এক ছাত্র প্রাণ হারালো

কক্সবাজারের সাংবাদিকতার যতকথা, পর্ব-১৮

হালদা নদী দূষনঃ এশিয়ান পেপার মিলের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ

ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী যারা

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ দাবি

যেকোনো সময় যে কাউকে নিজের কাছে যাওয়ার অনুমতি প্রধানমন্ত্রীর

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ উখিয়ার জসিম আটক

২০১৯ সালের প্রথমার্ধে ৮.৩৬ মিলিয়ন পর্যটককের দুবাই ভ্রমণ

কাবুলে বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৬৩

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলছে না সরকার

ছাত্রলীগ নেতা রায়হানের জামিন লাভ

লোহাগাড়ায় কার-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ১: আহত ১৫

কোরবানির মাংস পেয়ে খুশিতে রোহিঙ্গা শিশুদের উচ্ছ্বাস!

চকরিয়ায় চিংড়ি জোনের শীর্ষ সন্ত্রাসী আল কুমাস গ্রেপ্তার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত : ট্রাস্কফোর্সের সভায় কোন সিদ্ধান্ত হয়নি

কোনোরকম যুদ্ধ ছাড়াই ভারতের ১১ যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত!

লোহাগাড়ায় মেট্রেসের গোডাউনে আগুন

সিএমপি স্কুল এন্ড কলেজ : ‘মেধার সাথে ভালো মানুষ গড়ার পরিচর্চা করে’

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কলকাতা থেকে লাশ হয়ে ফিরল দুই বাংলাদেশী

মেসেঞ্জারের কথোপকথন শুনতো ফেসবুক কর্মীরা