এম আমান উল্লাহ আমান:
টেকনাফে ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাত পরবর্তী সহযোগিতায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্থরের মানুষ এগিয়ে এলেও কোন প্রস্ততি ছিলনা টেকনাফ সরকারী হাসপাতালে। ৩০ মে বিকাল ৩ টায় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে আহত প্রচুর রোগী জরুরী বিভাগে ডাক্তার এর অপেক্ষায় বসে আছে, চিকিৎসা দিচ্ছে কুলসুমা নামের একজন নার্স। ডাক্তার কোথায় জানতে চাইলে নার্স কুলসুমা বলেন “ ডাঃ আফরুজা মেডাম অনকলে আছেন” সেই অনকলের ডাক্তারকে বার বার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি। ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে আহত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে দেখে একজন সংবাদ কর্মী ডক্টরদের চেম্বারে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায় আহত রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে প্রাইভেট চেম্বারে টাকা নিয়ে। উপজেলা প.প. কর্মকর্তা ডাঃ সুমন বডুয়া কে চেম্বার ও সরকারী অফিসে দীর্ঘক্ষণ খোঁজার পরও পাওয়া যায়নি। সংবাদকর্মীর বকুনী খেয়ে কয়েকজন ডাঃ দ্রুত জরুরী বিভাগে এসে ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে আহত রোগীদের চিকিৎসা দিতে ব্যস্থ হয়ে পড়ে। আহত আবদুল মালেক সংবাদ কর্মীকে বলেন ভাই আজ আপনি না হলে এ করুন মূহুর্তেও আমাদের টাকা দিয়ে চিকিৎসা নিতে হত, তা ও নার্স দিয়ে। তিনি আরো বলেন আমরা জানি দেশে তোফান হলে সরকারী হাসপাতালে জরুরী বিভাগ জোরদার করা হয়, তা টেকনাফে হয়না কেন? আমাদের টেকনাফে কি কোন নেতা নেই, তারা এসব বুঝেনা,দেখেনা, শুনেনা।
এদিকে ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতে লন্ড ভন্ড টেকনাফে সরকারী হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কোন প্রস্ততি গ্রহন করা হলনা কেন, দূর্যাগ মুহুর্তেও কেন ডাক্তার অন কলে থাকবেন সচেতন মহল জানতে চাই।
অপরদিকে টেকনাফ উপজেলা প.প. কর্মকর্তা ডাঃ সুমন বডুয়াসহ কর্তব্যরত ডাক্তরদের দায়িত্ব অবহেলা ও অযোগ্যতার বিরোদ্ধে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন মহলের প্রতি দাবী জানিয়েছেন এবং টেকনাফ উপজেলা সরকরী হাসপাতালের সভাপতি উখিয়া-টেকনাফের এমপি আলহাজ¦ আবদুর রহমান বদির জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্ষতি গ্রস্থ টেকনাফবাসী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •