এম বশর চৌধুরী, উখিয়া (কক্সবাজার) :

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী রূপসী জন্নাত পিরু (২১) অপহরন মামলার অন্যতম আসামী আব্দু সালাম ও জমির অধরায় থেকে গেছে। গানের অনুষ্টানে যাওয়ার পথে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল (সোমবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়ার মোহাম্মদ শফির বিল এলাকা থেকে শিল্পীকে অপহরন করে। খবর পেয়ে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ষ্ট্যালিন বড়ুয়া ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয় জনগনের সহায়তায় সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ৮ ঘন্টা পর ইনানীর গভীর বনাঞ্চল থেকে অপহ্নত শিল্পীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় অপহ্নত শিল্পী রূপসী জন্নাত পিরু (২১) বাদী হয়ে চিহ্নিত র্দূবৃত্ত মোহাম্মদ শফির বিল গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে আব্দু সালাম (৩৬), মৃত আবু বক্করের ছেলে মোঃ জসিম (২৮) ও মৃত নুর আহমদের ছেলে মোঃ জমির (৩৩) সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় অপহরন মামলা দায়ের করে।

অভিযোগে প্রকাশ, কন্ঠশিল্পী রূপসী জন্নাত পিরু (২১) তার স্বামী আমির হোসেন (২৫), সহপার্টি মর্জিনা আক্তার (২৬), মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৮) নুরুল ইসলাম (৪১) দের নিয়া দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও বিবাহ অনুষ্টানে গান পরিবেশন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। মোহাম্মদ শফির বিল গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে আব্দু সালাম (৩৬) তার ছেলের খৎনা অনুষ্টানে গান পরিবেশন করার জন্য বিশ হাজার টাকায় শিল্পী ভাড়া করে। শিল্পীরা অনুষ্টানে যাওয়ার পথে উক্ত আব্দু সালাম ও জমির সহ তার সহযোগীরা শিল্পীকে অপহরন করে। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, কন্ঠশিল্পী অপহরন মামলার অন্যতম আসামী আব্দুস ছালাম ও জমির একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্র ছায়ায় থেকে এলাকায় প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ায়। উক্ত আসামীরা প্রায় সময় মোহাম্মদ শফির বিল গ্রামের বদি আলম, গালু আব্দুল হক, বাইলাখালীর শরিফ, ছৈয়দ আলম, শীলখালীর ছৈয়দ উল্যাহ, চেপটখালীর ছলিম উল্যাহ, রূপপতির গফুর মিয়া এবং আব্দুস ছালামের আশ্রিত মোহাম্মদ শফির বিল এলাকার রোহিঙ্গা বস্তিতে অবস্থান করে থাকে। এলাকাবাসীর অভিযোগ আব্দুস ছালাম ও জমির দীর্ঘ দিন যাবৎ এলাকায় নারী ধর্ষন, অপহরন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছিল। উক্ত কারনে তাদের বিরুদ্ধে থানা ও আদালত বহু মামলা বিচারাধীন আছে। ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের দাবী অপহরনকারীরা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছেনা এবং তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে এলাকাবাসী কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও অপহরনকারী আব্দুস ছালাম ও জমির কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান, অন্যথায় এলাকায় আরো বড় ধরনের অঘটন ঘটার আশংকা রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •