ফরিদুল আলম দেওয়ান-, মহেশখালী:

মহেশখালীতে দুই বিয়ে করা ৬ সন্তানের জনক পরকীয়া প্রেমিক মামা শ্বশুর পক্ষের দেবরের হাত ধরে একমাত্র পুত্র সন্তানসহ স্বামীর টাকা পয়সা ও বাড়ীর সর্বস্ব লুটে নিয়ে অজানার উদ্দ্যেশ্যে  পালিয়েছে ৩ সন্তানের জননী হাসিনা আকতার নামের এক গৃহবধু। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৩ মে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব পূঁইছড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের বশির আহমদের মেয়ে এবং স’ মিল মিস্ত্রী সফিউল আলমের স্ত্রী। পালানোর সময় ৫ বছর বয়সি একমাত্র পুত্র সন্তানকেও নিয়ে যাওয়া সন্তান হারা পিতার ক্রন্দন ও আহাজারীতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে এলাকার।
এলাকাবাসীরা জানান, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের মুন্সিমুরা গ্রামের অাব্দুল জব্বারের পুত্র শফিউল আলম দীর্ঘ ১২/১৩ বছর পূর্বে মহেশখালীর হোয়ানক টাইম বাজারে এসে স’ মিলে মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করা কালীন ভালবাসার সম্পর্কের ভিত্তিতে বিয়ে করে পূর্ব পূঁইছড়া গ্রামের বশির আহমদের মেয়ে হাসিনা আকতারকে। প্রথমে শ্বশুর বাড়ীতে ঘরজামাই ও পরে নিজে বাড়ী ভিটা করে দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্য জীবনে ১ ছেলে ২ মেয়ে জন্ম হয় তাদের সংসারে। ১ মেয়ে মারা যায়। বর্তমানে সুমাইয়া শারমিন তামান্না (৭) ও রায়ফাতুল ইসলাম ইমন (৫) নামে ২ সন্তান রয়েছে। গত কয়েক মাস পূর্বে মামার বাড়ীর আত্বীয়তার সুত্রধরে তাদের বাড়ীতে বেড়াতে আসে সফিউল আলমের চাচাত মামা চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের গয়ালমারা গ্রামের সেগুনঘাটা এলাকার মৃত আবুল খায়েরের পুত্র সামশুল আলম ও তার পুত্র মামাত ভাই আবুল কাসেম। কয়েক বার বেড়াতে আসার সুবাদে দেবর আবুল কাসেমের সহিত পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে ৩ সন্তানের জননী হাসিনা আকতার। জানা যায়, কাসেমও পর পর দুইটি বিয়ে করে ৬ সন্তানের জনক। অবশেষে গত ১৩ মে স্বামী সফিউল আলম স’ মিলে কাজ করতে গেলে স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী হাসিনা প্রকাশ্য দিবালোকে নগদ ১লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা,২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে মেয়ে সুমাইয়া ও বাড়ীর মুল্যবান মালামাল পার্শ্ববর্তী বাবার বাড়ীতে রেখে ৫ বছর বয়সী একমাত্র পুত্র সন্তান রায়ফাতুল ইসলাম ইমনকে সাথে নিয়ে  আবুল কাসেমের হাত ধরে অজানার উদ্দ্যেশ্যে পাড়ি জমায়। এদিকে পুত্র সন্তানকে হারিয়ে সফিউল আলম পাগল প্রায়। তিনি জানান,লম্পট স্ত্রী কর্তৃক চুরি করে নিয়ে যাওয়া টাকা পয়সা সোনা চাঁদি নয়, আমার একমাত্র বুকের মানিক ইমনকে ছাড়া আমি বাঁচব না। আমি আমার সন্তানটিকে উদ্ধারের জন্য দেশবাসী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য চাই।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •