স্থাপনা উচ্ছেদ না করতেই সেন্টমার্টিন বাসীর আবেদন, নীতিমালার দাবি

ফরিদুল মোস্তফা খান, কক্সবাজার :

কোন প্রকার উচ্ছেদ-উৎখাতের নীতিমালায় না গিয়ে একটি সুনির্দ্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন দ্বীপ রক্ষার আবেদন জানিয়েছে দ্বীপবাসী। দ্বীপের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল সেন্টমার্টিন্স দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হলেও এ পর্যন্ত সরকার দ্বীপে অবকাঠামো নির্মাণসহ অন্যান্য কোন কাজকর্ম সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করেনি। ফলে নীতিমালাহীন দীর্ঘ ২৮ বছরের মধ্যে দ্বীপে লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে অনেক অবকাঠামো গড়ে উঠে। সেই সাথে দ্বীপটি পর্যটকদের নিকট ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। সেন্টমার্টিন্স দ্বীপ রক্ষা ও উন্নয়ন পরিষদের ব্যানারে রবিবার কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দ্বীপের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগন সরকারের নিকট একটি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন-‘পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীব-বৈচিত্র রক্ষার্থে সরকার কর্তৃক গৃহীত সকল ব্যবস্থা মেনে চলব এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব। ’ কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তর আগামী ২০ মে’র মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রবিহীন দ্বীপের ৩৮ টি আবাসিক হোটেল নিজেদের উদ্যোগে ভেঙ্গে ফেলার একটি নোটিশ দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, দ্বীপের কোন কোন প্রতিষ্টান পরিবেশ আইন প্রণয়নের অনেক আগেই নির্মিত। এসব প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেও পায়নি। পরবর্তীতে যে সব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে তাও জেলা প্রশাসনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্মাণ সামগ্রী দ্বীপে নিয়ে স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি বছর পর্যটন মওসুমে কমপক্ষে ৭/৮ লাখ পর্যটক দ্বীপ ভ্রমণ করে থাকেন। এসব পর্যটকের আগমনের কারনে দ্বীপের বাসিন্দাদের জীবন-যাত্রার মানও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করে আরো বলা হয়, দ্বীপে গড়ে উঠা পর্যটন কটেজ আর রিসর্টে দ্বীপের প্রচুর লোকজনের কর্মসংস্থান রয়েছে। এ মুহূর্তে যদি দ্বীপের এসব হোটেল-কটেজ-রিসর্ট উচ্ছেদ করা হয় তাহলে সেখানকার জীবন যাত্রা আবারো পেছনে চলে যাবে। প্রসঙ্গত, সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন অবকাঠামো নিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২১ মার্চ ৪ সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। রুলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ প্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার অফিসের সহকারী-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্র সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌছে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারে দুদকের গণশুনানীতে অভিযোগের পাহাড়

আবুল মনসুর টেকনাফের নতুন এসি ল্যান্ড

ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী খলিল গ্রেপ্তার

ডিসি কামাল ১২ দিনের সফরে আমেরিকায় : ভারপ্রাপ্ত ডিসি আশরাফুল আফসার

তুমব্রু খালে এবার স্লুইচ গেইট নির্মাণ করছে মিয়ানমারঃ বিজিবি ও বিজিপির পতাকা বৈঠক সম্পন্ন

সদর হাসপাতালে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে : এমপি কমল

কক্সবাজারের সন্তান কায়িদ ঢাকায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত

জলকেলি উৎসবে মুখরিত রাখাইন পল্লীগুলো

উচ্চ শিক্ষা অর্জনে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহযোগীতা দেয়া হবে- এমপি কমল

হোপ ফাউন্ডেশনে ‘জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ ২০১৯’ উৎযাপন

খরুলিয়ার সেই মা-মেয়েকে মামলা দিয়ে কারাগের প্রেরণ

এড. কবির ছিলেন একজন সফল মানুষ : জেলা জজ হাসান মোঃ ফিরোজ

কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগের ৪র্থ বর্ষে পদার্পণ উৎসব

চতূর্থবারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ টেকনাফের ওসি প্রদীপ

চকরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে মাদকসেবীকে ৩ মাসের সাজা

বদরমোকাম সমাজের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত

সাংবাদিক হানিফসহ তিনজনকে শ্রেষ্ঠ সন্তান ও ছয় জনকে শ্রেষ্ঠ প্রবীণ সম্মাননা

নবম শ্রেণির প্রশ্নে সানি লিওন-মিয়া খলিফা!

আবুধাবি দূতাবাসে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপন

এক পা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে টিউশনি করে পড়াশোনা ও সংসারের ঘানি টানছেন যিনি