এস.এম.জুবাইদ , পেকুয়াঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সিদারাত মুনতাহা(৮) এর নিখোঁজ নিয়ে নানা রহস্যের জন্ম নিয়েছে।

৬ জানুয়ারি দুপুর ১.২০ টায় মগনামা বহদ্দার বাড়ীর পাশ থেকে নিখোঁজ হন এ ছোট্ট শিশুটি। নিখোঁজ শিশুটি মগনামা বহদ্দার বাড়ীর মুমিনুল ইসলামের একমাত্র শিশু কন্যা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুমিনুল ইসলামের সাথে খুলনা সদরের সুমি নামের এক মেয়ের সাথে বিয়ে হয়। ওই সংসারে সিদারাত মুনতাহার জন্ম হয়। পরে ওই সংসার বিচ্ছেদ হয়। তখন থেকে সিদারাত মুনতাহা পেকুয়ার মগনামায় বাবার সাথে থাকতেন। ওই বিয়ে বিচ্ছেদ হওয়ার পর মুবিন মগনামা এলাকা থেকে পুনরায় বিয়ে করেন। সেই থেকে সিদারাত মুনতাহা তার সৎ মায়ের কাছে লালন পালন হন। ঘটনার দিন দুপুরে এ শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তবে সন্দেহ করা হচ্ছে শিশুটি কি আসল মা নিয়ে গেছেন, না সৎ মা কৌশলে আত্মগোপনে রেখে পরিকল্পিত নাটক সাজিয়েছেন। এ নিয়ে রহস্যের জন্ম নিয়েছে। তবে ক্লু উদঘাটনে স্থানীয়দের তীর যাচ্ছে শিশুটির আসল মা ও সৎ মায়ের দিকে।
এদিকে শিশুটির পিতা মুমিনুল ইসলাম দাবী করেন কে বা কারা নিয়ে গেছে নাকি কোথায় গেছে বুঝতে পারছি না। তবে ঘটনার দিন পার্শ্ববর্তী আমার চাচী আলমআরা শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায় সেই থেকে আর বাসায় ফিরে আসেনি। আমার সাবেক স্ত্রীর সাথে যোগসাজসে চাচী আলমআরার কৌশলে এ কাজটি করছেন বলে ধারনা করছি। তিনি আরো বলেন শিশুটির মা অনেক বার তাকে তার কাছে নিয়ে যেতে চেষ্টা করেছিলেন এ নিয়ে অনেকবার বাকবিতন্ডা ও হয়। আমার সাবেক স্ত্রী বাদী হয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করেছিলেন বলে শুনেছিলাম।
তিনি আরো বলেন, আমার এক মাত্র শিশু কন্যা সিদারাত মুনতাহা। এখনো কোন খোঁজখবর পাচ্ছি না। কোন সুহৃদবান ব্যাক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কারো নজরে পড়লে উল্লেখিত 01811283094/01842661213 এ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি।

এদিকে নিখোঁজ শিশুর পিতা মুমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ২ জন মহিলাকে বিবাদী করে পেকুয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে পেকুয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।