এম.মনছুর আলম ,চকরিয়া :
কক্সবাজারের চকরিয়ায় একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীর হামলায় জুনাইদুল ইসলাম (৩৮) নামের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের এক উদ্যোক্তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় আহত জুনাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৮জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়ন্থ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়াপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত জুনাইদুল ইসলাম বিএমচর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা ও বিএমচর ইউনিয়ন্থ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়িয়া পাড়া এলাকার মাষ্টার নুরুল হোছাইনের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন বিকেলে পাঁচটার দিকে বিএমচর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা জুনাইদুল ইসলাম পরিষদের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বেড়াপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের সামনে চলাচল রাস্তায় পৌঁছলে পূর্বশত্রুতার জেরে ওই এলাকার বাপ্পী, জাহাঙ্গীর ও ভুট্টোর নেতৃত্বে ৭-৮জনের একদল স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিতত ভাবে দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্রনিয়ে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এসময় সন্ত্রাসীরা তাঁর কাছে থাকা পকেট থেকে ১৫ হাজার ৩শত টাকা ও ব্যবহৃত ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থল থেকে আহতবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে প্রেরণ করেন।

আহত ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা জুনাইদুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার বিকেলে পরিষদের কাজকর্ম শেষে বাড়িতে যাওয়ার পথে প্রতিমধ্যে বেড়াপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের সামনে রাস্তায় পৌঁছলে অতর্কিত ভাবে স্থানীয় বাপ্পী, জাহাঙ্গীর ও ভুট্টোর নেতৃত্বে ৭-৮জন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্রনিয়ে হামলা চালিয়ে আমাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। আমার শোরচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তাঁরা আমার ব্যবহৃত ল্যাপটপ ও পকেটে থাকা নগদসহ বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনায় জড়িত ৮জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

বিএমচর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হামলা ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়। বিষয়টি শুনার সাথে সাথে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করেছি। ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার পূর্বক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চমেক হাসপাতালে রেফার করেন।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জুয়েল আহমেদ জানান, বিএমচর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তার ওপর হামলার ঘটনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় একটি এজাহার দেয়া হয়। বিষয়টি তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।##

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •