রামু সংবাদদাতা:
রামুতে নির্মাণাধীন রেলওয়ে সড়কের কারণে অকার্যকর হয়ে পড়া আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল সড়কে (লম্বরীপাড়া-রামু সড়ক) টানেল নির্মাণ করে সচল করার দাবিতে  রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সূজন ও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন বৃহত্তর লম্বরীপাড়াসহ ভুক্তভোগী বিভিন্ন এলাকাবাসী। বুধবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় লম্বরীপাড়া আলোর দিশারী যুব পরিষদের সমন্বয়ে এলাকার নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এ আয়োজনে অংশ নেন।
রামু বাইপাস রেলওয়ে টানেল পয়েন্টে রেলমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল জনগুরুত্বপূর্ণ এ দাবি তুলে ধরে বলেন, জনদূর্ভোগ লাঘবে এ সড়কটি আমার উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হয়েছিল ২০১২ সালের শুরুতে। এ সড়কটির নামকরণ আমার নামে। নির্মাণের পরে সুফল পেয়ে উঠার আগেই রেলওয়ে সড়কের কারণে এ সড়কটি অচল হয়ে পড়ায় হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। তাই সড়কটি সচল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে এলাকাবাসীর দাবি ন্যায়সঙ্গত। এসময় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় মন্ত্রীর সাথে কথা বলেন, লম্বরীপাড়া আলোর দিশারী যুব পরিষদের সভাপতি, দারুল কুরআন নূরানী একাডেমির পরিচালক হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। তিনি বলেন, এ রাস্তাটি বহুদিনের পুরনো। হাজার হাজার মানুষ ও শতশত ছাত্র-ছাত্রী এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। তবে অত্যন্ত সরু হওয়ায় রাস্তাটি গাড়ি চলাচল উপযোগী ছিলো না। কাঁদামাটি দিয়ে পায়ে হেটে চলাচল করতে হতো এ সড়কে। এমতাবস্থায় ২০১১ সালের শেষর দিকে স্থানীয় মুরুব্বীদের আহবানে সাড়া দিয়ে জনদূর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন, বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল ভাই। তখন তিনি এমপি না হয়েও নিজ উদ্যোগ ও উদ্যমে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়কটি সম্প্রসারিতরূপে নির্মাণের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অবিস্মরণীয়।কিন্তু ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত প্রস্ত ২০ ফুট ও প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটিতে কোন টানেল না রাখায় সেটি বর্তমানে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সচল করা বৃহত্তর লম্বরীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের প্রাণী দাবি। রেলমন্ত্রী জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এ দাবি শুনে এমপি মহোদয় ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সমন্বয়ে বিষয়টি সুরাহা করার নির্দেশনা দেন।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি নিয়ে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব মাষ্টার হাকিম মিয়া, আবু তাহের, হাজী আবছার মিয়া, আলহাজ্ব ছফর মিয়া, হাজি ইলিয়াছ, আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ, হাকিম মিয়া, যুবসমাজের পক্ষে নজরুল ইসলাম, আলোর দিশারী যুবপরিষদের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, তরুণ সমাজসেবক হারুনুর রশিদ, আলোর দিশারী যুবপরিষদের সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম আনছারী, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উল্লাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবী হোসাইন ( এ কে খান), সাংগঠনিক সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ জনি, সদস্য মাসুদ পারভেজ রুবেল, মুহাম্মদ শাকিল, মুহাম্মদ রায়হান, যুবকদের মধ্যে নুরুল আবছার, গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।