ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ প্রধানের সাথে কক্সবাজার চেম্বারের মতবিনিময়

অচিরেই কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৩:১২ , আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৩:৩৬

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


ইমাম খাইর, সিবিএনঃ
অর্থনৈতিক দিক থেকে কক্সবাজার একটি অপার সম্ভাবনার জায়গা। আগামী চার-পাঁচ বছরে কক্সবাজারকে ঘিরে যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তা নিয়ে কক্সবাজারের ব্যবসায়িক মহলকে এখন থেকে চিন্তা করতে হবে। অচিরেই কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কার্যক্রম। কক্সবাজার চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী’র নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টর জেনারেল মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম (বার) পিপিএম এসব কথা বলেন।
রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে চেম্বার অফ কমার্স সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী’র সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার এর জন্য নুতন হলেও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কার্যক্রম চলছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারিদের উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি আইনের সাথে সাংঘর্ষিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করা।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে বর্তমান এবং আগামীতে মহেশখালী, মাতারবাড়ি, সাবরাং এর যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে অচিরেই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অফিস স্থাপন করা হবে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সুলাইমান, সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন।
সভায় বক্তব্য রাখেন- শ্রীম্প হ্যাচারি এসোসিয়েশন এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য সাহেদ আলী এবং মোহাম্মদ আলমগীর, ট্যুর অপারেটর ওনার্স এসোসিয়েশন কক্সবাজার (টুয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম, মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন-চেম্বার পরিচালক এমদাদুল হক, নুরুজ্জামান, আজমল হুদা, সাধারণ সদস্য উদয় শংকর পাল মিঠু, প্রকল্প সমন্বয়কারী অশোক সরকার।
সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন-আবু সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সনজিদ দত্ত, পাস্তা ক্লাব পরিচালক অনিক বাপ্পি।
শ্রীম্প হ্যাচারি এসোসিয়েশন এর সদস্য বৃন্দ বলেন চিংড়ি পোনা গুলো খুবই সংবেদনশীল এবং এই সেক্টর এ কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। সঠিক সময়ে পণ্য পরিবহন সহ শিল্প প্রতিষ্ঠান গুলোর আরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কলাতলি এবং সোনার পাড়ায় একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এর ফাঁড়ি প্রয়োজন।
চেম্বার অফ কমার্স এর সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিং এর মহতি উদ্যোগ নিরাপদ বিনিয়োগের এক নুতন দিগন্ত উন্মোচিত করবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ই-কমার্স একটি উদীয়মান দ্রুত অগ্রসরমাণ সেক্টর। একে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশিং এর আওতায় আনা গেলে ভোক্তা এবং উদ্যোক্তাদের মাঝে বিশ্বাস এর জায়গাটা আরও সুদৃঢ় হবে।