এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কক্সবাজারের কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জমি ক্রয়-বিক্রয় নামে কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে রশিদ নগরের ঝিলংজা মৌজায় দাগ, খতিয়ান উল্লেখ না করে কিছু দখল জায়গা বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসছে এবং উক্ত জায়গার স্থির চিত্র প্রদর্শন করে আসছে, যা নিম্ন স্বাক্ষরকারীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

প্রকৃত বিষয় হচ্ছে-স্থীর চিত্রে প্রদশির্ত জায়গার বিজ্ঞপ্তি দাতার কোন স্বত্ব দখল নেই। কৌশলে দাগ, খতিয়ান উল্লেখ না করলেও স্থির চিত্রে প্রদর্শিত জায়গা ঝিলংজা মৌজার ১৬৮২নং বি.এস খতিয়ানের ৩৬৪৩ দাগের জায়গা বলে প্রতীয়মান হয়। উক্ত জায়গা বি.এস ১৬৮২নং খতিয়ান রশিদ আহামদ ও কবির আহামদ এর নামে চূড়ান্ত প্রচার আছে। উক্ত কবির আহামদ টাকার প্রয়োজনে ৩৬৪৩ দাগের .০৭শতক জমিসহ মোট .১২শতক জমি ০৩/০৩/৮৩ইং তারিখে ১৭৭৯নং রেজিঃ কবলা মূলে জনৈক সিদ্দিক আহামদকে বিক্রী করে দখল অর্পন করে। উক্ত ছিদ্দিক আহামদ এর নামে ২১৭৯নং খতিয়ান চূড়ান্ত প্রচার আছে।

অতঃপর ছিদ্দিক আহমদ টাকার প্রয়োজনে গত ০৯/০৬/৯৮ইং তারিখের রেজিঃ কবলা মূলে সম্পূর্ণ .১২শতক জমি নিম্ন স্বাক্ষরকারীকে বিক্রি করে দখল অর্পন করে। উক্ত জমিসহ খরিদা অপরাপর জমি নিয়ে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর নামে বি.এস ৩৩৭নং খতিয়ান চূড়ান্ত প্রচার আছে। তৎ মতে স্থীর চিত্রে উল্লেখিত .০৭শতক জমিসহ অপরাপর জমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ভোগদখলে আছে। উক্ত ৩৬৪৩ দাগে বা স্থীর চিত্রে উল্লেখিত দাগে কোন খাস জমি বা দখল জমি নাই। আমার জানামতে উক্ত দাগের .৩০শতক জমির মধ্যে বিক্রী বাদ অবশিষ্ট জমি কবির আহামদ এর ওয়ারিশেরা বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিক্রী করে দখল অর্পন করার পর অবশিষ্ট জমি কবির আহামদের ওয়ারিশ সাবেকুন্নাহার চকরিয়া বহদ্দারকাটা নিবাসী জনৈক মোহাম্মদ ইব্রাহিম এর সাথে রেজিষ্ট্রিযুক্ত বায়না নামামূলে দখল অর্পন করে। উক্ত ইব্রাহিম উক্ত জায়গায় ঘেরা বেড়া দিয়ে ভোগদখলে আছে। সুতরাং স্থীর চিত্রে উল্লেখিত ৩৬৪৩নং দাগে বিক্রী বাদ কোন খাস জমিও নাই, দখলী জমিও নাই। উক্ত জমি কেহ খরিদ করে অহেতুক ঝামেলায় না জড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হল।

উল্লেখ্য যে, উক্ত দাগের নিম্ন স্বাক্ষরকারীর খরিদা .০৭শতক জমি বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক, কক্সবাজার শাখায় রেজিঃযুক্ত বন্ধক আছে।

নিবেদক

এস.এম নুরুল ইসলাম (এডভোকেট)

জেলা ও দায়রা জজ আদালত,

কক্সবাজার।

মোবাইল নং-০১৭১১২৪১৪১৭