মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ‘খরুলিয়ায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ কক্সবাজারের স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়। সংবাদটি আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। মূলত আমার ছোটো ভাই আব্দুল গফুর দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত। তাকে মাদক ব্যবসা থেকে ফেরাতে আমরা পারিবারিক ভাবে বহুবার বাঁধা নিষেধ করেছি। একারণে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। মুলত মাদক ব্যবসায় তাকে বাঁধা দেওয়ায় আপন ছোট ভাইটি আজ আমার জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে। যা ইতিপূর্বে বিচার-সালিশে পর্যন্ত গড়িয়েছে। এই বিরোধের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সে আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বানোয়াট সংবাদ ছাপিয়ে সম্মানহানি করছে।

সংবাদে উল্লেখ মতে, আমি আমার ছোট ভাইয়ের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছি। মা-বাবা অন্যান্য ভাই এবং তাদের পরিবারসহ এক সঙ্গে এক বাড়িতে বসবাস করছি। সেখানে দিনেদুপুরে ধর্ষণের চেষ্টা করার বিষয়টি হাস্যকর বটে!

দ্বিতীয়ত অভিযোগকারী আমার আপন ছোটো ভাই গফুরের স্ত্রী ও আমার স্ত্রী যৌথ পরিবারে বসবাস করে। ফলে সাংসারিক বিষয়ে ছোটোখাটো খুনসুটি তাদের মধ্যে হয়ে থাকে। সংবাদ প্রকাশের আগের দিন সকালে সন্তানদের নিয়ে দুই বউয়ের মাঝে কথাকাটাকাটি হয়। এটার রেশ ধরেও গফুর তার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে এমন মিথ্যা অভিযোগ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

অথচ পারিবারিক বিষয়ে এসব ঝগড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিভিন্ন সময় শালিস করেছেন। এমনকি আগামী শুক্রবারও পারিবারিক এসব ঝামেলা নিয়ে একটি শালিসী বৈঠকের দিন ধার্য্য করা আছে। আসন্ন বৈঠকের শালিসকারকদের প্রভাবিত করতেই মূলত গফুর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের পথ বেছে নিয়েছে।

সাংবাদিক ভাইদের কাছে আমার অনুরোধ- আপনারা যাচাই-বাছাই করে সঠিক সংবাদ প্রকাশ করবেন। পরিশেষে আমি আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এব্যাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী:
মোস্তাক আহমদ
পিতা: নুর মোহাম্মদ
খরুলিয়া বাজারপাড়া, সদর কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •