ছোটন কান্তি নাথ, চকরিয়া:
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর চকরিয়া পৌরসভার নির্বাচন। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই পৌরসভার নির্বাচন। কিন্তু অতিমারী করোনার কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায় দুইবার। সেই পরিস্থিতিতে স্থগিত এই পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিনক্ষণ ধার্য্য করে নির্বাচন কমিশন।
বার বার স্থগিত হওয়ার কারণে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকা প্রার্থীরা। তাদের আশা, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ফের ঘোষিত তারিখের আর পরিবর্তন হবে না। সেই আশাতেই ফের নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। তারা কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে পুরো পৌরসভার অলি-গলিতে ব্যানার ও পোষ্টার সাটানো শুরু করেছেন।
পৌরসভা নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে তিন ওয়ার্ডে ১৪ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯ ওয়ার্ডে ৫৪ জনসহ তিন পদে সর্বমোট ৭২ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। তন্মধ্যে বাতিল হওয়া, আপীলে ফিরে পাওয়াসহ বর্তমানে মেয়র পদে চারজন, ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন এবং ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫০ জনসহ সর্বমোট ৬৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের প্রত্যেককে প্রতীকও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চকরিয়া পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছেন ৪৮ হাজার ৭২৪ জন।
এদিকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধিতায় থাকা চার প্রার্থী হলেন-আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র আলমগীর চৌধুরী, জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মনোহর আলম, স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী হলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী জিয়াবুল হক ও কম্পিউটার প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফয়সাল উদ্দিন সিদ্দিকী। নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি দলীয় কোন প্রার্থী নেই। সেই হিসেবে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলমগীর চৌধুরীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী জিয়াবুল হকের সাথে।
চকরিয়া পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘সুষ্ঠু, অবাধ, গ্রহণযোগ্য পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রচার-প্রচারণার সময় প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে কী-না তাও কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •