সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত উপচার্য (ভিসি) সহ ২০ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণে মঙ্গলবার বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস ও সামনে সড়কে মানববন্ধন, অবস্থান কর্র্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ফোরাম।
এদিকে ছাত্রছাত্রীদের তোপের নিবন্ধন ফি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের সেমিষ্টারে তালিকভুক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিক্ষোভ সমাবেশে স্টুডেন্ট ফোরামের মুখপাত্র বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নাম ছাড়া কিছুই নেই। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ইউনিভার্সিটির নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। কিন্তু কোন সুষ্ঠু সমাধান পাইনি। এখন আমাদের প্রথম দাবী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত ভিসি চাই। আমাদের যদি কারো সাথে কথা বলতে হয় তবে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত ভিসি’র সাথে কথা বলব।
স্টুডেন্ট ফোরামের অন্যতম মুখপাত্র হোসাইন মূরাদ প্রিন্স বলেন, আমাদের ক্যাম্পাস নেই উপচার্য নেই। পাশ করে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে না অস্থায়ী প্রত্যায়নপত্র। এনিয়ে অনেক আলোচনা করেছি সংশ্লিষ্ঠদের সাথে। আমরা আর কথা বলতে চাই না। আমরা চাই রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত উপচার্য।
তিনি আরো বলেন, আমরা আর মিথ্যা আশ্বাস শুনতে চাইনা। আমরা কার্যকরী কিছু দেখতে চাই। তাদের দাবীগুলো হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত উপচার্য ও কোষাধ্যক্ষ, স্থায়ী ক্যাম্পাস, উন্নত ক্লাসরুম, যোগ্যতা সম্পন্ন রেজিষ্ট্রার, প্রক্টর ও ডিন, পর্যাপ্ত মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, স্বয়ং সম্পূর্ণ লাইব্রেরী ও কার্যকর ওয়েবসাইট, হিসাবরক্ষণ বিভাগকে পূর্ণবিন্যাস, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেমিষ্টার সম্পন্ন করা, জরিমানা ও সেমিষ্টার ফি’র জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন করা, ট্রাস্টি বোর্ড ও প্রশাসনের গোলযোগ থেকে শিক্ষা কার্যক্রমকে মুক্ত রাখা, নিরপেক্ষ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিশ্চিতকরণ, সুগঠিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার, কমন রুম ল্যাব সুবিধা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় দিবস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষা সফর ও ইন্ড্রাস্টিয়াল ভিসিট এবং কর্মশালার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ, প্রতিষ্ঠিত এবং সক্রিয় ক্লাব সমূহকে প্রণোদনা ও অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ, ক্যান্টিন সুবিধা নিশ্চিতকরণ, মানসম্মত শৌচাগার নিশ্চিতকরণ, বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের দ্বন্দের নিরসন।
বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা রেজিষ্ট্রার কক্ষে অবস্থান নেন। সেসময় তাদের তোপের মুখে ৫০ জন শিক্ষার্থীকে ফ্রি ছাড়াই সেমিষ্টারে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাকিদের এনরোলমেন্টও ফি ছাড়া করানো হবে বলে সেসময় ঘোষনা দেয় প্রশাসন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •