মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

আজ ২৯ আগস্ট রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “কক্সবাজার বিমানবন্দরে রানওয়ে সম্প্রসারণ” শীর্ষক প্রকল্পের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করবেন। এজন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

এদিন ঢাকার প্রান্তে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কক্সবাজার বিমানবন্দর প্রান্তে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী, সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমান, কক্সবাজারের সংসদ সদস্যবৃন্দ সাইমুম সরওয়ার কমল, জাফর আলম, আশেক উল্লাহ রফিক, শাহীন আকতার চৌধুরী, কানিজ ফাতেমা আহমেদ, কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান পিপিএম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস গণভবনে এই ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন।

এই ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, সার্বিক প্রস্তুতি দেখভাল করতে গত শুক্রবার থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী, সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি, বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমান সহ অন্যান্যরা কক্সবাজার রয়েছেন।

এদিকে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য কক্সবাজার বিমানবন্দরের পার্কিং গ্রাউন্ডে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করে মনোরম সাজসজ্জা করা হয়েছে। এলইডি প্যানেল লাগানো, অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস লাগানো সহ প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমান। তিনি শনিবার অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়াও সর্বসাধারণ উপভোগ করতে ও অনুষ্ঠান স্মরনীয় করে রাখতে বিমানবন্দরের গেইটে, লাবনী পয়েন্ট ও কলাতলী মোড়ে একযোগে সম্প্রচার করা হবে। এজন্য শহরের উল্লেখিত তিনটি পয়েন্টে এলইডি প্যানেল লাগানো হয়েছে। ব্যানার, ফেস্টুন, ত্রীডি এ্যানিমেশন ছবি দিয়ে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে বিমানবন্দর এলাকা ও কক্সবাজার শহর। এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমান উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েকে এক হাজার ৫ শত ৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ থেকে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হবে। এরমধ্যে ৩০০ ফুট রানওয়ে নির্মাণ করা হবে সমুদ্রের উপর। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার বিমানবন্দর একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত হবে। এটি হবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রানওয়ে সম্বৃদ্ধ সুদৃশ্য বিমানবন্দর। তখন সাগরের ঢেউ দেখতে দেখতে সমুদ্রের উপর নির্মিতব্য রানওয়েতে নামবে সকল বিমান।