ইমাম খাইর, সিবিএন:
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আগত লোকদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

এ সময় জনসচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হয়। সরকারী নির্দেশনা মতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

শুক্রবার (২০ আগষ্ট) বিকালে কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মুকুল।

তিনি বলেন, করোনার ভয়াবহতা এখনো কমে নি। প্রতিদিন শনাক্ত ও মৃত্যুর সংবাদ পাচ্ছি। কোনভাবে অবহেলা করা যাবে না। নিজের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রয়োজনেই মাস্ক পরতে হবে।

সৈকতে আসা পর্যটকদের উদ্দেশ্যে মহিউদ্দিন মুকুল বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্রমণ করুন। যে কোন সমস্যার কথা আমাদের জানাবেন। পাশে আছি আমরা। ভ্রমণকালে নিজের নিরাপত্তার কথা আগে ভাবুন। নিজে নিরাপদ থাকুন। অপরকে নিরাপদ রাখুন। সরকারী আইন মেনে চলুন। তিনি বলেন, আইন মান্য করলে নিজেদেরই লাভ।

সৈকতে আসা পর্যটকদের মাঝে মাস্ক বিতরণ।

জনসচেতনতামূলক এই কর্মসূচিটির আয়োজন করেছে ‘ব্লাক স্টম স্পোর্টস ক্লাব’ নামক একটি ক্রিড়া সংগঠন। সৈকতের কলাতলী পয়েন্টসহ আশপাশের এলাকায় প্রচারণরা পাশাপাশি মাস্ক বিতরণ করা হয়। যেখানে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করে।

এ সময় ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার শেহরিন আলম, পরিদর্শক তোফায়েল আহমদ, কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সেক্রেটারী মুকিম খান, ব্লাক স্টম স্পোর্টস ক্লাবের সভাপতি নোমান শাওনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সেক্রেটারী মুকিম খান বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও পর্যটন স্পট খুলে দেওয়ায় সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সরকারী নির্দেশনা মতে ব্যবসা পরিচালনা করতে আমরা প্রস্তুত। সেভাবে কাজ করছি।

পর্যটকদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ভ্রমণের আগে নিজের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করুন। মাস্ক পরিধান করুন। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। আইন মানুন। আপনাদের সেবায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সৈকতে আসা পর্যটকদের একটি দৃশ্য।

উল্লেখ্য, ১৯ আগষ্ট থেকে আবাসিক হোটেল, সমুদ্রসৈকতসহ সকল পর্যটনকেন্দ্র শর্তসাপেক্ষে খুলে দিয়েছে সরকার। শুক্রবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রচুর পর্যটক সমাগম ঘটে। আবাসিক হোটেলসমূহেও প্রাণ ফিরেছে। সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে বেচাকেনা। দীর্ঘদিনের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার স্বপ্ন বুনছে এখানকার ব্যবসায়ীরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •