জালাল আহমদ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় :

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আন্দোলনের ভয়ে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ করে দিয়েছে।কারণ রাজনীতিবিদেরা যখন ভয়ে চুপ থাকে,তখন শিক্ষার্থীরা সোচ্চার হয়ে ওঠে। ফলে সরকার করোনার অজুহাতে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো বন্ধ করে রেখেছে। অবিলম্বে স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দিন। তিনি আরও বলেন,কয়েকদিন আগে আমেরিকার সরকার আফগান নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছিল।কিন্তু সরকার তাদের আহবানে সাড়া দেয় নাই। আফগান নেতাদের আশ্রয় দিলে শেখ হাসিনার নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার পথ সুগম হতো। কারণ তার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার।তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে আন্দোলন-সংগ্রাম সম্পর্কে সচেতন করতে তাদের শিক্ষার সুযোগ করে দিতে হবে।যুদ্ধ করার জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ফলে তারা নিজ দেশে গিয়ে যুদ্ধ করতে পারবে।তিনি জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিতে যাওয়ার সময় বিএনপি নেতাদের ওপর পুলিশী হামলার নিন্দা জানান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মতো সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নেওয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন,বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।এখানে সরকারের খবরদারি খাটানো উচিত নয়।অনেক শিক্ষক আছে, যারা গ্রামে গিয়ে চা-বিড়ি -পান বিক্রি করছেন।এই সরকার চোর-ডাকাত -লুটেরা।তাদের লজ্জা -শরম কিছু নাই।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শহিদুল ইসলাম চৌধুরী মিলন, গণস্বাস্থ্যের গণসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু,সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম , বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসান, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •