সেলিম উদ্দীন, ঈদগাঁও
চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফরেষ্ট অফিসপাড়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলতি বর্ষায় ক্ষত-বিক্ষত হয়ে দুইটি পয়েন্টে ধসে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে খুটাখালী ছড়ার ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে সড়কের একটি অংশ। ভারি বর্ষনে সড়কটি বিলীন হয়ে এক পাশে ধসে পড়েছে। যার কারেন পাশ্ববর্তী বিদ্যুৎ খুঁটি রয়েছে চরম ঝুঁকিতে।

শুক্রবার (১৩ আগষ্ট) সরজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে বিদ্যুতের খুঁটি ও সড়ক চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফরেষ্ট অফিসপাড়া বৃহত্তর ৬ নং ওয়ার্ডের অংশ। দীর্ঘ ক’বছর পূর্বে নির্মিত গ্রামীণ সড়কটি সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
সেই সাথে টানা ভারী বর্ষণে সড়কের বিদ্যুতের খুঁটি পয়েন্ট ছড়ায় ধসে পড়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলের পানিতে সড়কের অনেকাংশে ইট সরে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মহাসড়কের খুটাখালী ব্রীজ থেকে অফিস পাড়ার দুরত্ব মাত্র ১ হাজার ফুট। সাধারণত শুষ্ক মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা গেলেও বর্ষাকালে পথচারীদের বাড়ে দুর্ভোগ।

এ অবস্থায় করোনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত স্কুলে আসা-যাওয়া করতে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবী জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বৃহত্তর ৬ নং ওয়ার্ডের অফিসপাড়া সড়ক অনেকদিন ধরে অবহেলিত। সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যার ফলে নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এলাকায় বসবাসরতরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত সময়ে উপজেলা প্রশাসনের বরাদ্ধে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মাত্র ৬ শ ফুট রাস্তা ইট ব্রীক সলিং করে। সড়কটি সংস্কারের পর থেকে নানা অজুহাত দেখিয়ে সংশ্লিষ্টরা উধাও হয়ে যায়। বর্তমানে সেই ইট সরে গিয়ে বড় বড় গর্ত ও খাদ সৃষ্টি হয়েছে।

ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে সড়কটির একাধিক অংশ নদীতে ধসে করুন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পরিষদে বিষয়টি উত্তাপন করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হবে।

খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মু. আবদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফরেষ্ট অফিসপাড়া সড়কটির প্রায় অংশ কার্পেটিং করা হয়েছে। তবে কিছু অংশ বাদ পড়েছে। বর্ষার ঢলে কোথাও কোথাও খাদ সৃষ্টি হয়েছে তা নিরুপন করে উপজেলায় প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। বরাদ্ধ পেলে আশাকরি অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •