এন এ সাগর : ভারী বর্ষণে উখিয়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের ৩১টি ওয়ার্ডে কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তলিয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও চিংড়ি ঘের। ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে গ্রামীণ সড়ক সহ অসংখ্য সরকারি স্থাপনা,বাঁধ। উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য অনুযায়ী জালিয়াপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া পালং, রাজাপালং ও পালংখালীতে কমবেশি সব এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

১নং জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১,২ ও ৯নং ওয়ার্ড বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং ৫,৬ ও ৭নং ওয়ার্ড আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পাহাড়ে বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয় এবং খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
২নং রত্নাপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১,৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে।
৩নং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ১,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ৯নং ওয়ার্ডের রেজুখালের পাড়ে আতঙ্কে বাস করছে হাজারো মানুষ। কোটবাজার সোনারপাড়া সড়কের অনেক পয়েন্টে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

৪নং রাজাপালং ইউনিয়নের ১,২,৫,৬ ও ৯নং ওয়ার্ড বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তলিয়ে গেছে অসংখ্য ভিটেমাটি। পানিবন্দি মানুষের অনেকে ঘর, গাছপালা উপড়ে পড়ে যায়। অন্যদিকে ৪,৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে আংশিক ক্ষতি হয়। বন্যার পানিতে ভেসে কুতুপালং ও খয়রাতি পাড়ার দুজন নিহত হয়েছে।

৫নং পালংখালী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে চিংড়ি ঘের।
ঢলের পানিতে এ ইউনিয়নের একজন নিহত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ জানান, বন্যার শুরু থেকেই পানিবন্দি মানুষের মাঝে শুকনা খাবার, পরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়। বন্যার পানিতে ভেসে নিহত তিনজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।
ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার জন্য ৪৪মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আরও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •