কেন চয়নিকা চৌধুরীকে এভাবে গোয়েন্দা পুলিশের দল নিয়ে যায়, তা জানতে আজ শনিবার সকালে তাঁর সঙ্গে কথা বলে বিনোদন। কোথা থেকে পুলিশ আপনাকে নিয়ে যায়, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘পরীমনি গ্রেপ্তারের পর আমাকে নিয়ে অনেক ট্রল হয়েছে। আমি আছি কি নাই, কেন যাই নাই। আমার ফেসবুকও কেন ডিঅ্যাক্টিভেট? এসব বিষয়ে একটি টেলিভিশন আমার অবস্থান জানতে চেয়েছিল। আমিও আমার অবস্থান পরিষ্কার করেছি। অনুষ্ঠান শেষে টেলিভিশন চ্যানেল থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় ফিরছিলাম। হঠাৎ পুলিশের একটি দল আমার গাড়ি ঘিরে ধরে। বিষয় হচ্ছে, হঠাৎ করে এভাবে নিয়ে যাওয়াতে ভয় পেয়ে গেছিলাম একটু। আমি বুঝতে পারিনি। ভাবছি, কারা ওরা। ভয় পাইছি। আমি নেমে গেলেই ভালো হতো। যা–ই হোক, আমারই বুঝার ভুল।’
চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে পরীমনি

চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে পরীমনি
ছবি : সংগৃহীত

ভয় পেয়েছিলেন কেন? উত্তরে চয়নিকা বললেন, ‘ভয় পাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। কে বা কারা। পরে যখন পরিষ্কার করে বলল, ওদের (গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তাদের) লোকজনকে বললাম, তাহলে আপনারা ওঠেন আমার গাড়িতেই। আমি গেলাম। ডিবি কার্যালয়ে যাওয়ার পর সবাই সুন্দর ব্যবহার করল। তারা আমার কাছে কিছু তথ্য জানতে চেয়েছে। আমিও সুন্দরভাবে উত্তর দিয়েছি।’

কী ব্যাপারে জানতে চেয়েছে? চয়নিকা চৌধুরী বললেন, ‘সেটা তো বলব না। এটা তদন্তাধীন। পরীমনির ব্যাপারে কিছু তথ্য দরকার ছিল। পরীমনির ব্যাপারে ওরা কিছু তথ্য জানতে চেয়েছে। আমি সুন্দর করে উত্তর দিয়েছি। আমার উত্তরে তারা হ্যাপি হয়েছে। আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। দ্যাটস ইট।’

চয়নিকা চৌধুরী

চয়নিকা চৌধুরী
ছবি : সংগৃহীত

কয়েক শ নাটকের পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী ‘বিশ্বসুন্দরী’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এই ছবিতে তাঁর অভিনয়শিল্পী ছিলেন পরীমনি। এই নির্মাতার ওয়েব ফিল্ম ‘অন্তরালে’র জন্য সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হন পরীমনি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এর শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

জুন মাসে ডিবি কার্যালয়ে পরীমনির (মাঝে) সঙ্গে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী (ডানে)

জুন মাসে ডিবি কার্যালয়ে পরীমনির (মাঝে) সঙ্গে পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী (ডানে) 
ফাইল ছবি

চয়নিকা চৌধুরীকে ‘মা’ বলে ডাকেন পরীমনি। উত্তরা বোট ক্লাব-কাণ্ডের পর সব সময় তাঁকে পরীমনির পাশে দেখা গেছে। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় বনানীর বাসা থেকে ঢাকাই সিনেমার অন্যতম নায়িকা পরীমনিকে আটক করা হয়। তবে পরীমনি আটকের পর চুপ ছিলেন চয়নিকা চৌধুরী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •