সাইদুল ইসলাম ফরহাদ :

ভারী বর্ষনে -জলোচ্ছ্বাস আর করোনা সংকটে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ৩নং উনছিপ্রাং, রইক্যং, কুতুবদিয়া পাড়ার ৪০-৫০টি পরিবার। সম্প্রতি নিম্নচাপ-লঘুচাপের প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধ্বংস ও পানি প্লাবনে তাদের ঘর বাড়ি বাড়ি ভেঙে যায়। তাঁর কারণে তারা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয় এই পরিবার।
রাত-দিন কাটছে তার বন্যা দুর্গত এলাকায়। কখনো পাহাড়ে কখনো কোমর পানি মাড়িয়ে মিশে যাচ্ছেন বন্যার্তদের কাতারে। আশ্রয় কেন্দ্র- সবখানে তার কাঙ্খিত পদচারণা।

বন্যার্ত মানুষকে খাওয়াচ্ছেন রান্না করা খাবার। কেউ যেনো অভুক্ত না থাকে সে নজরদারিতেও কমতি নেই হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ৩নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য আব্দুল বাসেত এর।

এছাড়া করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মানুষ অভাব-অনটনে রয়েছে এবং চরম দুরাবস্থার মধ্যে রয়েছেন মানুষ। তাদের প্রতিনিয়ত তাদের খবর রাখছেন।
ইতোমধ্যে পানি কমতে শুরু করায় রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসককে দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
তার সঙ্গে নির্ঘুম রাত কাটছে একলাব সংস্থার তথ্য কেন্দ্রের আই এস পি মো মুফিজুর রহমন, সাজ্জাদ কবির, রাশেদ এভাবে পরম মমতায় মানুষের পাশে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ভোররাত থেকে ছুটে যাচ্ছেন ইউপি সদস্য আব্দুল বাসেত।