ফেসবুক কর্ণারঃ
মগনামার ইউনিয়নের এলজিইডির মালিকানাধীন মগনামা হাই স্কুল টু বাইন্যা সড়ক বিগত ২৭ বছর ধরে কোন ধরনের সংস্কার করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মগনামার ইতিহাসে সর্ব প্রথম পাকা এবং প্রসস্থ সড়ক ছিল এটি।
এই সড়ক মগনামার প্রধান যাতায়তের মাধ্যম ছিল। এই সড়ক দিয়ে বড় বড় ট্রাক, পিকআপ ও যাত্রী জিপ চলাচল করতো এক সময়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় বিগত ১৫ বছর ধরে সড়কটি সংস্কার করার জন্য বার বার সমীক্ষা চালিয়েছে। কাগজে কলমে সমীক্ষাই থেকে যায়! কিন্তু সড়ক সংস্কার হয়না, বাজেট বরাদ্দ হয়না! এই সড়কটি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের অধিনে বাস্তবায়নযোগ্য নয়। এটি এলজিইডির কোডধারী একটি সড়ক। অর্থাৎ এলজিইডির মালিকানাধীন সড়ক। এই সড়কটির সংস্কারে এলজিইডিকেই করতে হবে। কিন্তু কেন জানি এতো বছর পরেও এলজিইডি সড়কটি রহস্যজনক কারণে সংস্কার করছেনা। অনেকেই না বুঝে না জেনে স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দোষারূপ করছেন। এটা টিক নয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান বার বার এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে সড়কটি সংস্কারের জন্য অনুরোধ করেছেন। পত্র দিয়েছেন। জনগণের কষ্টের কথা এলজিইডিকে জানিয়েছে।
মগনামা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরীও সেসময়ে সড়কটি সংস্কারের জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কাছে বহুবার ধর্ণা দিয়েছিল।
সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল মোস্তাফা চৌধুরী নিজের পকেট থেকে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে মগনামা হাই স্কুল থেকে বাইন্যা ঘোনা পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের জন্য ফাইল যথাযথভাবে মন্ত্রণালয়ে নিয়ে অনেক তদবীর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
এলজিইডি পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে সড়ক সংস্কার করার জন্য ফাইল ঢাকায় পাঠানোর পর আর খবর থাকেনা বা অদৃশ্য কারণে ফাইল অনুমোদন হয়না। বর্তমান চেয়ারম্যানও অসংখ্যবার চেষ্টা তদবীর চালিয়েছেন। এখনো চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। পূর্বেই বলেছি সড়কটির মালিক এলজিইডি।
এলজিইডি নিজেরা সড়কটি সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ না দিলে, প্রকল্প অনুমোদন না করলে চেয়ারম্যান-মেম্বাররা কি করবে?
এভাবে বর্তমানে-অতীতে মগনামা ইউনিয়নে যত জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন সবাই সড়কটি সংস্কারের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, করেছিলেন কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সড়কটি সংস্কারের ফাইল লাল ফিতায় বন্ধী রয়েছে যুগের পর যুগ, বছরের পর বছর, দিনের পর দিন…
এভাবে আর কতকাল অপেক্ষায় থাকবে মগনামাবাসী???

-সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া-এর
ফেসবুক টাইমলাইন থেকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •