অনলাইন ডেস্ক: পান্তা ভাত, আলু ভর্র্তা ও মাছভাজা- বাঙালির চিরন্তন এই রেসিপিতেই অস্ট্রেলিয়ার মাস্টারশেফ ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিশোয়ার চৌধুরী।

তার রেসিপি মুগ্ধ করেছে বিচারকদের। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এ প্রতিযোগী এই রেসিপি দিয়েই পাকা করেছেন নিজের জায়গা।

বিচারকদের বলেনও, এটি এমন এক ধরনের খাবার, যা আপনি কোনও রেস্টুরেন্টে পাবেন না। আর ৩৮ বছরের এই বাঙালি নারী খাবার মুগ্ধ করেছে বিচারকদের। এর আগে খিচুড়ি আর বেগুন ভর্তা- দিয়ে মন জয় করেছিলেন সবার। তবে ফাইনালে পা রাখলেন পান্তা ভাত দিয়ে।

পশ্চিমাদের কাছে বাঙালির চিরন্তন এই রেসিপিকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করার জন্য বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও প্রশংসায় ভাসছেন কিশোয়ার চৌধুরী।

অনেক দিন ধরেই চলছে মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ত্রয়োদশ সিজন। এই সিজনের অন্যতম প্রতিযোগী কিশোয়ার চৌধুরী ফাইনাল এপিসোডে বিচারকদের প্লেট সাজিয়ে দেন পান্তা ভাত ও আলু ভর্তা দিয়ে।

এর আগেও তিনি বেগুন ভর্তা, খিচুড়ির মতো সনাতনী বাঙালি পদ রান্না করেছেন মাস্টারশেফের হেঁশেলে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিশ্বরের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মেলবোর্নে।

ফিইনাল রাউন্ডে তার রাঁধা বাঙালির প্রিয় পান্তা মন জয় করেছে ভিনদেশি বিচারকদেরও। কিশ্বর এই পদের জুতসই নামও দিয়েছেন ‘স্মোকড রাইস ওয়াটার’।

পান্তার সঙ্গে ফিউশন করে সার্ডিনও পরিবেশন করেছেন তিনি। দেশের সংস্কৃতি এ ভাবে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার জন্য দুই বাংলার মানুষ কিশোয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাবার ও রন্ধনপ্রণালী নিয়ে একটি বই লেখার ইচ্ছে রয়েছে কিশোয়ারের।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •