আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামিতে একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসের ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর, ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। খবর রয়টার্স।

শনিবার (১০ জুলাই) ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আরও ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভবন ধসের সময় ছিলেন এরকম আরও ৬২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা ধারণা করছেন, তাদের সবাই মারা গেছেন।

মিয়ামির সমুদ্রসৈকত ঘেঁষা সার্ফসাইড শহরের ১২তলা বিশিষ্ট চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউথে ধসের ঘটনার পর কংক্রিট, কাঠ ও স্টিলের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এ পর্যন্ত জীবিত কাউকে উদ্ধার করা যায়নি।

এদিকে, ২০০ সদস্যবিশিষ্ট উদ্ধারকারী দল উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিচ্ছে। দমকল কর্মী, পুলিশ, প্রকৌশলী, পরিবেশ সুরক্ষা বিশেষজ্ঞসহ কয়েকশত লোক তাদের সহায়তা করছেন। এখন পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে ১৩ মিলিয়ন পাউন্ড বর্জ্য অপসারণ করেছেন, সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য দিয়েছেন মিয়ামির মেয়র।

অন্যদিকে ৪০ বছরের পুরাতন ভবনটির অংশবিশেষ ধসে পড়ার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তবে, তদন্তকারীরা ২০১৮ সালের একটি প্রতিবেদনের ওপর জোর দিচ্ছেন, যেখানে ভবনটির অবকাঠামোগত দূর্বলতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এর দুই সপ্তাহ আগের বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) প্রথম প্রহরে সুউচ্চ আবাসিক ভবনটির একাংশ ধসে পড়ে। ১৫৬ ইউনিট বিশিষ্ট ওই ভবনের অধিকাংশ বাসিন্দাই সে সময় ঘুমিয়ে ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •