সিবিএন ডেস্ক:
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০১ জন, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। বুধবার (৭ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এর আগে গত ৫ জুলাই সর্বোচ্চ ১৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপরের দিন ১৬৩ জনের মৃত্যুর কথা জানালেও তার ঠিক ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় একদিনে মৃত্যু ২০০-এর ঘর পার করলো।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২০১ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ১৫ হাজার ৫৯৩ জন।

সর্বোচ্চ মৃত্যুর এ দিনে ফের ১১ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে ১১ হাজার ১৬২ জন শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত হলেন নয় লাখ ৭৭ হাজার ৫৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন পাঁচ হাজার ৯৮৭ জন আর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন আট লাখ ৫০ হাজার ৫০২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ হাজার ১৪৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬৩৯টি নমুনা। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৩২টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৪৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৩টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রোগী শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৩২ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত ১৪ দশমিক ৩১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২০১ জনের মধ্যে পুরুষ ১১৯ জন আর নারী ৮২ জন। এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেলেন ১১ হাজার দুই জন আর নারী চার হাজার ৫৯১ জন।

মৃতদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১১৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ৪৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে নয় জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চার জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছে একজন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, মারা যাওয়া ২০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ৫৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২১ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৮ জন, খুলনা বিভাগের ৬৬ জন, বরিশাল বিভাগের সাত জন, সিলেট বিভাগের নয় জন, রংপুর বিভাগের ১৪ জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের আট জন।

২০১ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৬৫ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ২৩ জন, বাড়িতে ১২ জন। হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয় একজনকে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •