ফেসবুক কর্ণার

আর বিলম্ব নয় ।  লকডাউনের পরপরই অতিসত্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং এনজিও , আইএনজিও  সহ অন্যান্য প্রত্যাবাসন বিরোধী সংস্থা কর্তৃক রোহিঙ্গা সেবার ছকে দেশের সার্বভৌমত্বের বিষয়ে হুমকি সৃষ্টি, চাকুরির ক্ষেত্রে স্থানীয়দের অহেতুক ছাটাই ও স্বজনপ্রীতি, দয়া পরবশ হয়ে আশ্রয়দাতা বাংলাদেশের জনগনের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাস সৃষ্টিতে ইন্ধন যোগানো সহ তাদের অনেক গুরুতর কূ কর্মের বিরুদ্ধে উখিয়া -টেকনাফ সহ কক্সবাজার জেলাবাসী চুড়ান্ত আন্দোলন নামতে যাচ্ছি । সিদ্ধান্ত চুড়ান্তের পথে।

ওয়ার্ডভিশন সহ সমূদয় এনজিও আই এনজিও  কর্তৃক স্থানীয়দের ছাটাই কেন? তার কারন চাওয়া হবে। স্থানীয়দের জন্য বরাদ্দ ৩০% টাকার হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। আরো কারণ চাওয়া হবে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গারা কিভাবে আশ্রয় দাতাদের গুম , খুন ও গুলিবিদ্ধ করতে পারে তার কারন কি?

প্রয়োজনে ৯২ সনের মতন মহিলাদের ঝাড়া বাহিনীর Action শুরু করা হবে। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত সহ্য করা হবেনা। দেশ ও সরকার বিরোধী কর্মকান্ড দমনে জনতা রাজপথে নামতে পরিশেষে বাধ্য হতে যাচ্ছি। এটা সময়ের ব্যাপার যে সামনে একটি জটিল প্রশ্নই আসতেছে তাহল – আমরা থাকব? নাকি রোহিঙ্গারা থাকবে ?

সে প্রশ্নের নিষ্পত্তি হবে ফিলিস্তিনি আর ইসরায়েলের অনুরূপ। সময় হয়ত সমাগত যে সামনে এমনতর পরিস্থিতি আসতেছে দেখা যাবে মিয়ানমার সরকার ও সেই সরকারের বন্ধুরা বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার জন্য বা রেখে দেওয়ার জন্য রোহিঙ্গাদেরকে মোটিভেশান করে সর্বাত্মক সহয়োগীতায় লিপ্ত হবে।

ত–খ–ন?

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হামলায় বাংলাদেশের তিন গ্রাম বাসী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘঠনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নিন্দা জানাচ্ছি রোহিঙ্গাদের পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কারী – এনজিও – আই এনজিও সহ সকল সংশ্লিষ্টদের। আসুন একদফার দাবি আরম্ভ করি। * একদফা একদাবী রোহিঙ্গারা চলে যাবি *।

Mahmudul Hoque Chowdhury

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •