দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইনসহ কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত নিখোঁজ প্রবাসী হাবিব উল্লাহকে উদ্ধারে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর।

মূলত সৌদি প্রবাসী হাবিব উল্লাহ ৩১/১০/২০২০ ইংরেজি তারিখে চট্টগ্রামের নাসিমা আক্তারের ফোন পাওয়ার পর স্বর্ণালংকার হাদিয়া নিয়ে তার কাছে যায়। এরপর থেকে সে ৮মাস যাবৎ নিখোঁজ রয়েছে। হাবিব উল্লাহ কোনো রাজনীতি করে না এবং কোনো মামলা-মোকাদ্দমাসহ কোনো সাধারণ ডায়রি পর্যন্ত নেই। আমাদের দৃষ্ট বিশ^াস যে মহিলা তাকে ডেকে নিয়ে গেছে তিনি তাকে আটকে রেখেছে। তাকে হারিয়ে আমরা (হাবিবের মা-বাবা) অসুস্থ হয়ে পড়ি। অন্যদিকে আমাদের পরিবারে কোনো সামর্থবান লোক না থাকায় হাবিব উল্লাহর সন্ধানের জন্য আমাদের জামাতা আহমদ ছফা বিভিন্নভাবে কাজ করেন। এই জন্য সে দীর্ঘ ৮মাস যাবৎ কঠোর পরিশ্রম করে নানাভাবে হাবিব উল্লাহ সন্ধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু একটি চক্র উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের জামাতা আহমদ ছফার বিরুদ্ধে কিছু গণমাধ্যমে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে। আহমদ ছফাকে জড়িয়ে প্রকাশিত এসব সংবাদ শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো।

দৈনিক ইত্তেফাক এর অনলাইনে আমার (হাবিব উল্লাহর পিতা) এবং জামাতা আহমদ ছফার বিরুদ্ধে প্রকাশিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আমার আমার (হাবিব উল্লাহর পিতা) , হাবিব উল্লাহর স্ত্রী ও আহমদ ছফার বক্তব্য নিয়েছে বলে দাবি করে সংবাদটি প্রকাশ করেছে। আমরা মনে করছি হাবিব উল্লাহর অপহরণকারীদের প্ররোচনায় এই সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। নিখোঁজ হাবিব উল্লাহর স্ত্রী রিফা মনি ও মা রেহেনা বেগম থেকে যে বক্তব্য নিয়েছে বলে পত্রিকায় প্রচার করা হয়েছে তা হলুদ সাংবাদিকতার নামান্তর।

আমরা আরো দৃঢ়তার সাথে বলছি, আমাদের পরিবারের কাছ থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাউকে আমার ছেলেকে উদ্ধারের জন্য আমরা একটি টাকাও দিইনি। আমার জামাতা ৪৫ লাখতো দূরের কথা ; সেও কোনো টাকা নেয়নি এবং সেও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর কাউকে কোনো ধরণের টাকা দেয়নি। বরং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজ হাবিব উল্লাহকে উদ্ধারের জন্য সব ধরণের চেষ্টা করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।

প্রতিবাদকারী
আলহাজ¦ আবদুল হাকিম, রেহেনা বেগম ও রিফা মনি
(হাবিব উল্লাহর পিতা, মাতা ও স্ত্রী)
বদরমোকাম, কক্সবাজার পৌরসভা, কক্সবাজার।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •