সংবাদদাতা মহেশখালীঃ
মহেশখালীতে মোটর সাইকেল আটকিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় মহেশখালী পৌরসভার গোরকঘাটা পশ্চিম পাড়ার মৌলানা আবুল কাশেমের পুত্র আনম হাসান ও পুটিবিলা খুইশ্যামার পাড়া ১নং ওয়ার্ডের মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র এরশাদ উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক।
কক্সবাজার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মামলা নাম্বার এম, আর মামলা-১৩৮১/২০২১ইং।
মামলার প্রেক্ষিতে ২৬ জুন বিকালে  মোটর সাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহেশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার মুফিজ।
মাওলানা ফারুক বলেন, “আনম হাসান প্রায় ৫ মাস আগে আমার মোবাইলে ফোন করে হাসান দেখা করতে বলেন। আমি কয়েকবার দেখা করিনি। কারণ তার সাথে আমার পরিচয় এবং জানাশুনা কিছুই ছিলনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকে আমার পরিবার নিয়ে বিভিন্ন রকম আপত্তিকর স্ট্যাটাস দেয়। তারপর আমি মান সম্মানের ভয়ে তার সাথে দেখা করি। হাসান তখন আমার থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করি। তখন সে (হাসান) আমাকে দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। এর পরে একদিন (প্রায় ৫ মাস আগে) আমি গোরকঘাটা গেলে আমার মোটর সাইকেল নিয়ে চলে যায়। আমি এবিষয়ে ৯৯৯ এ অভিযোগ দিলে মহেশখালী থানা থেকে এস আই সেলিম ঘটনাস্থল মোটরসাইকেল জব্দ করে আনতে গেলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বিষয়টি সুরাহা করে দিবে বলে প্রায় ৪ মাস চলে যায়। পরে প্রশাসনের পরামর্শে আমি আদালতের আশ্রয় নিলে। মাননীয় আদালত আদেশ দেন। তারপরেই আমার মোটরসাইল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মফিজুর রহমান।’’

হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুকের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহেশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মুফিজুর রহমান বলেন, কক্সবাজার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে করা মামলার প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আনম হাসান কর্তৃক ছিনিয়ে নেওয়া মোটর সাইকেল টি ২৬ জুন গোরকঘাটা লামারবাজার থেকে উদ্ধার করেছি। মহেশখালী থানার ওসি আব্দুল হাই কোর্টের প্রতিবেদন পাওয়ার সাথে সাথে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে আনম হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাঁদাদাবির বিষয়টি সম্পূর্ণ ভূয়া এবং ভিত্তিহীন আমার জন্য মানহানিকর। বাদির সাথে আমার আর্থিক লেনদেন আছে এবং তাঁর যথেষ্ট স্বাক্ষী প্রমাণ রয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়ার কাছে বিচারাধীন রয়েছে। তাছাড়া, বাদী আমার আস্তানা, চাঁদাবাজ সহ বিভিন্ন মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে অসৎ পন্থা অবলম্বন করে মানহানিকর মিথ্যে মামলা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •