সিবিএন :

জাতীয়  শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান সহকারী মিনহাজ উল হক। শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

২৪ জুন (বৃহস্পতিবার) কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, মিনহাজ উল হক কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান সহকারী হিসেবে যোগদানের পর হতে সততা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়া কর্মজীবনের সর্বত্রই অসামান্য অবদান ও সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। এর স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

যেসব গুণাবলীর জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার দেওয়া হয়:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, সততার নিদর্শন স্থাপন করা, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা, শৃঙ্খলাবোধ, সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ, সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, প্রতিষ্ঠানের বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, সমন্বয় ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা, পেশাগত স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা, ছুটি গ্রহণের প্রবণতা, উদ্ভাবনী চর্চার সক্ষমতা, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে তৎপরতা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশে আগ্রহ, উপস্থাপন দক্ষতা, ই-ফাইল ব্যবহারে আগ্রহ, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা করা।

জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার পর অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান সহকারী মিনহাজ উল হক বলেন, জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য আমি নির্বাচিত হয়েছি এটা নিশ্চয় অনেক পাওয়া। কারণ, যেসকল গুণাবলীর জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয় আমার কর্মজীবনে এ গুনাবলীর চর্চা ছিল ভেবে আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। পাশাপাশি বর্তমান কর্মস্থল কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমান চৌধুরী স্যারসহ জেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, মিনহাজ উল হক ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা পরিসংখ্যান সহকারী হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি এক পুত্র সন্তানের জনক। মিনহাজ উল হক কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার এ্যান্ডারসন রোডের একে এম মমতাজুল হক ও জাহেদা বেগম দম্পতির সন্তান এবং কক্সবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মরহুম মাস্টার মোজাহেরুল হকের নাতি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •