ইয়াছির আরাফাত

আব্দুল ওয়াহিদ শিবলীর উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে কক্সবাজার পর্যটন নগরী সমুদ্র সৈকতের ৬টি টুরিস্ট স্পটে স্থাপন করেছে নিরীহ প্রাণীদের জন্য পানির ছোট ট্যাংক । সমুদ্রের নোনা পানি পান করে প্রাণীদের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি বিবেচনা করে কক্সবাজারের সুগন্ধা বীচ হতে ডায়াবেটিস পয়েন্ট বীচ পর্যন্ত নিজের টাকাই স্থাপন করেছে মিঠা পানির ছোট ট্যাংক, যেখানে ছোট একটি বিল বোর্ডে লেখা আছে নিরীহ প্রাণীর জন্য পানি, দয়া করে ময়লা ফেলবেন না, আপনার কাছে পরিস্কার পানি থাকলে ঢেলে দিন এমন কিছু দেখে পর্যটক সহ স্থানীয়রা প্রশংসাই শুভকামনা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বালিকা মাদ্রাসা রোড হূদা কবিতা মঞ্চের পাশে সিমেন্ট দিয়ে তৈরি ছোট একটি পানির ট্যাংক। কিছুক্ষণ পরপর দুই একজন মানুষের এসে দেখে তা ছবি তুলে উক্ত উদ্যোক্তার প্রশংসা করে যাচ্ছেন। মোহাম্মদ সাব্বির ও সেলিম উল্লাহ নামের দুজন পর্যটকের সাথে কথা হলে তারা জানান বহুবার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণে করেছি কিন্তু কখনো প্রাণীদের জন্য সহানুভূতির এ চিত্র দেখা হয়নি হঠাৎ এমন দৃশ্য দেখার পর নিজের ও প্রাণী দের জন্য কিছু করার অনুভূতি জেগেছে এই বলে তাদের হাতে থাকা মিনারেল ওয়াটারের বোতল এর সমস্ত পানি প্রাণীদের জন্য তৈরি ছোট টাংকটিতে ঢ়েলে দেন এবং উদ্যোক্তার প্রশংসা করেন।

স্থানীয় কয়েকজন যুবক জানান, প্রাণীদের জন্য পানির ব্যবস্থা উদ্যোগটি আসলে প্রশংসনীয়। এমন উদ্যোগ গ্রহণের ফলে সমুদ্রপাড়ের ঘোড়া, কুকুর ও পাখিগুলো মিঠা পানি পান করতে পারবে কারণ নোনা পানি পান করার অযোগ্য অনেক সময় সমুদ্র পাড়ে ঘুরতে এলে দেখা যায় পশু পাখি গুলো দোকানের আশেপাশে পানির কাতরতা এপাশ-ওপাশ ঘুরতে থাকে সুতরাং এমন সুন্দর উদ্যোগ গ্রহণের ফলে উক্ত উদ্যোক্তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।

নিরীহ প্রাণীদের জন্য পানির ছোট ট্যাংক স্থাপন করা উদ্যোক্তা আব্দুল ওয়াহিদ শিবলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান সমুদ্রতীরবর্তী পশুপাখি কেন লবণাক্ত পানি কোন প্রাণীর জন্য পান যোগ্য নই সুতরাং প্রাণীদের কথা বিবেচনা করে আমার এই উদ্যোগ গ্রহণ করা এই পর্যন্ত ডায়াবেটিস পয়েন্ট বীচে হতে সুগন্ধা পয়েন্ট বীচ পর্যন্ত মোট ছয়টি টুরিস্ট স্পটে নিজস্ব অর্থায়নে প্রাণীদের জন্য পানি পান করার সিমেন্ট দিয়ে তৈরি ছোট ট্যাংক স্থাপন করেছে ভবিষ্যতে ইনানি বিচ পর্যন্ত আমার উক্ত উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •