শাহেদুল ইসলাম মনির, কুতুবদিয়া:
কেমন আছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে এবং অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে বিলীন হওয়া কুতুবদিয়ার বেড়ীবাঁধ।

এ বেড়ীবাঁধ বিলীন হয়ে উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছে। কিছুদিন আগে পূর্ণিমার জোয়ার ও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে চৌধুরী পাড়া থেকে বায়ু বিদ্যুৎ এলাকায় যাওয়ার রাস্তার প্রায় তিন কিলোমিটার ডুবে গিয়েছিলো তিন ফুট পানির নিচে। এতটা ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষেরা টেকসই বেড়ীবাঁধ চায়, ত্রাণ নয়।

বিলীন হওয়া বেড়ীবাঁধ কিছুটা তৈরী হলেও তা তো আবারও জোয়ারের পানিতে বিলীন হাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

আবদুল কাদের নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, সামনেই আরেকটি পূর্ণিমার জোয়ার আসছে। এতে সামান্য বাতাস থাকলে পানির চাপ বেশি হলে আবারও আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের অধিকাংশ বাড়ীঘর ডুবে যাবে।

তেলিপাড়ার বাসিন্দা নুরুল আবছার ও শাহাবুদ্দিন জানান, মজবুত বেড়ীবাঁধ তৈরী করতে মাটি দরকার। কিন্তু বেড়ীবাঁধ ঝুঁকিতে ফেলে ঢাল থেকে মাটি কেটে বাঁধ সংস্কার করা হয়। এতে নির্মিত বাঁধ ঝুকির মধ্যে চলে যায়। তারা আরও জানান, কখনো বেড়ীবাঁধের এক ধারের মাটি কেটে অন্য দিকে ফেলা হয়।

এ কাজ বেশির ভাগ শুরু হয় বর্ষা নামলে। সপ্তাহ কাটতে না কাটতে জোয়ারের পানির ঢেউয়ে তা ফের বিলীন হয়ে যায়। বেড়ীবাঁধ বিলীন হওয়ায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় দিনেরাতে দু’বার জোয়ারে প্লাবিত হয়। আসন্ন ২১ জুন থেকে পূর্ণিমার জোয়ার শুরু হবে। তখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না।

এই বিষয়ে বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ চক্রবর্তী জানান,বেড়ীবাঁধ সংস্কারের কাজ কয়েক দিন চললেও সাগরে পানি চাপ বৃদ্ধির কারণে কাজের ব্যাঘাত ঘটছে। তাই আসন্ন পূর্ণিমার জোয়ারের পরই বিলীন হয়ে যাওয়া বেড়ীবাঁধে জিও ব্যাগ দেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •