সিবিএন ডেস্ক:
কোনও কর্মকর্তা বা শিক্ষক গুরুতর অভিযোগ করার পরও কোনও ব্যবস্থা নেন না নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা। স্বজনপ্রীতি ও নিজের সুবিধা আদায়ের জন্য এসব কাজ করে থাকেন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তারা। এই পরিস্থিতি উত্তরণে নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মাঠপর্যায়সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা এবং শিক্ষকরা অপরাধ করলেও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অপরাধীদের বাঁচাতে এই কাজ করেন। ফলে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় না। কর্মনিষ্ট নিবেদিত কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের মধ্যে এতে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। কাজের গতিও নষ্ট হয় সংশ্লিষ্ট দফতরে। স্বজনপ্রীতি ও স্বার্থ আদায়ের জন্য এই কাজ করেন এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। তবে প্রশাসনে স্বচ্ছা ও গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর অপরাধ বিচারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গত মে মাসের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্চারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গত ১৫ জুন ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় উপ-পরিচালক, সব জেলা শিক্ষা অফিসার, সকল উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যথা সময়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী কর্তকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বিনানুমতিতে বিদেশগমনকারী এবং অনুমতি না নিয়ে বিদেশে গমন করে নির্ধারিত সময়ের পর বিদেশে অবস্থানকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও সরকারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •