সিবিএন ডেস্ক:
ইরানের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে ২৭টি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসি-সহ যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি অঙ্গরাজ্যের এসব কেন্দ্রগুলোতে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসী নাগরিকরা। মঙ্গলবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তখত রাভাঞ্চি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ১৮ জুন শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ কানাডাতেও একইভাবে ভোটগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছিল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে দেশটির তরফে অনুমতি মেলেনি বলে জানান মাজিদ তখত রাভাঞ্চি।

তিনি জানান, কানাডায় ভোটগ্রহণের অনুমতি না পাওয়ায় দেশটির সীমান্ত সংলগ্ন নিউ ইয়র্কের বাফেলোতে একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কানাডায় বসবাসরত ইরানিদের ভোট দেওয়ার সুবিধার্থে এটি স্থাপন করা হয়েছে।

১৮ জুন শুক্রবার ইরানের বহুল প্রতিক্ষীত এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক হারে ভোটদানের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। তিনি বলেছেন, শত্রুরা তার দেশের নির্বাচনে জনগণের উপস্থিতি কমিয়ে দিয়ে ইরানকে সন্ত্রাসবাদের লালনভূমিতে পরিণত করতে চায়। কিন্তু ইরানি জনগণ সে ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।

বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, সব ক্ষেত্রে ইরানের ভবিষ্যৎ আগামী শুক্রবারের নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের ওপর নির্ভর করছে। নিজেদের হাতে দেশের ভাগ্য গঠন করার সুযোগ পাচ্ছে দেশের জনগণ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সর্বোচ্চ মাত্রায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি বলেন, মার্কিন ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো আগে থেকেই এ নির্বাচনে জনগণের উপস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা শুরু করেছে। এমনকি তারা এ নির্বাচনে জনগণকে ভোটদানে নিরুৎসাহিত করার ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে। দুনিয়ার আর কোনও দেশ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না; যে দেশের নির্বাচন নিয়ে এতো বেশি ষড়যন্ত্র হয়। কিন্তু এতসব ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত ইরানের সবগুলো নির্বাচনে ভোটাররা ব্যাপক মাত্রায় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

সর্বোচ্চ নেতা বলেন, শত্রুরা আসলে এদেশের নির্বাচনে জনগণের উপস্থিতি কমিয়ে দিয়ে ইরানকে সন্ত্রাসবাদের লালনভূমিতে পরিণত করতে চায়। কিন্তু আমাদের জনগণ সে ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না। সূত্র: ইরনা, পার্স টুডে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •