মোঃ নিজাম উদ্দিন:
মেম্বার চেয়ারম্যানকে জানালেও কোন কাজ হয় না। উপরের কোথাও আবেদন করলে ফল হবে কিনা! এসব চিন্তা করতে করতে শেষপর্যন্ত জন দুর্ভোগ নিরসনে চলাচল সড়কের কাজ শুরু করলেন মাদ্রাসা শিক্ষক নিজেই। প্রতিক্রিয়ায় এমনই বিবরণ দিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক ছগির আহমেদ। সংস্কার কাজ চলমান অবস্থায় কয়েকজন শিক্ষার্থী ছবি তোলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইসলামিয়া আরবিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক তিনি। জনপ্রিয় এ বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ছগির স্যার বলে জানে। প্রতিষ্ঠানের নিকটস্থ এলাকায় এ শিক্ষকের বসতবাড়ী। উত্তর পাড়ার এলাকাটিতে প্রতি বছর বর্ষার মৌসুমে হাঁটু পরিমাণ বৃষ্টির পানি জমে থাকে। শিক্ষক ছগির আহমেদের বাড়ির পাশের সড়ক দিয়ে লোকজন চলাচল করতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকে স্বচ্ছল চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী রয়েছে। কিন্তু তাদের এ নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। অপরদিকে এখানে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে থাকে মাষ্টার ছগির আহমেদ আশপাশের এলাকায়। তিনি জানিয়েছেন, মেম্বার চেয়ারম্যানদের বললেও কোন কাজ হবে না। এলাকায় এ দুর্ভোগ নিরসনে কেউ পদক্ষেপও নিচ্ছে না। তাই তিনি নিজেই সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করে দিলেন। এ পর্যন্ত সাধ্য অনুযায়ী কোনমতে চলাচল ব্যবস্থা করেছেন। তবে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না করলে আবারও একই অবস্থায় পরিনত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুলহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ বলেন নি। চলাচলে একদম অনুপযুক্ত হয়ে গেলে কোন একটা ব্যবস্থা করা যেত। এরপরও দেখা যাক কি করা যায়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •