সিবিএন ডেস্ক:
যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার আফরিন শহরের একটি হাসপাতালে হামলায় কমপক্ষে ১৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হন ২৭ জনের বেশি। শনিবার কুর্দি পিপল’স প্রটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজি) এবং কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) সদস্যরা ক্ষেপণাস্ত্র ও কামান হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে তুরস্ক।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি’র খবরে বলা হয়েছে, ওয়াইপিজি ও পিকেকে-এর সদস্যরা আসাদ সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন তাল রিফাত অঞ্চলের বেসরকারি শিফা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হামলা চালায়। হাসপাতালটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও কামান হামলা হয়েছে বলে জানায় তুর্কি সরকার।

এ ঘটনায় এখনো কোন গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। ঘটনার প্রকৃত কারণ বের করতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। হামলায় তাৎক্ষণিক নিন্দা জানিয়েছে তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শোক প্রকাশ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কলিন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

রাশিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ওয়াইপিজি এবং পিকেকে’র হামলা। নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করাকে কাপুরুষোচিত হামলা উল্লেখ করা হয়। তুর্কিদের কাছে ওয়াইপিজি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং তুরস্কে নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) শাখা বলে পরিচিত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •