মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ:
টেকনাফ উপজেলার নাফ নদী থেকে রোহিঙ্গা নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

সেখানে একজনের পরিচয়পত্রও পাওয়া গেছে। তার নাম সমজিদা (৩৫)। তিনি কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আব্দুস সালামের মেয়ে। বাকি দুইজন মেয়ে শিশুর মধ্যে এক জনের অনুমান বয়স ৬বছর এবং আরেক জনের বয়স ২বছর।

শনিবার (১২ জুন) বেলা ২টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী এলাকায় নাফ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মৃতদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

স্থানীয় একজন জেলে মাছ শিকারে গিয়ে ভাসমান তিনটি লাশ দেখেত পায়। খবর পেয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে, এরা তিনজনই রোহিঙ্গা নাগরিক। প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে জলপথে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় নৌডুবিতে বা অন্য কোনো কারণে মারা যেতে পারে।

একাধিক সূত্র জানায়, সীমান্তের ওই পয়েন্ট দিয়ে প্রতিনিয়ত ইয়াবাসহ চোরাচালান ও রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, কয়েক বছর ধরে নাফনদীতে মাছ শিকার বন্ধ। তবে, রাতের আঁধারে কতিপয়শ্রেণীর অসাধু চক্র ইয়াবা ও মালয়েশিয়া মানব পাচার করে থাকে। এছাড়া রোহিঙ্গা পারাপারও করে। এসব কারণে তারা মারা যেতে পারে।

নিহত সমজিদার পরিচয়পত্রের সুত্র ধরে অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে মনে করেছে স্থানীয়রা।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •