সিবিএন ডেস্ক:
অস্ট্রেলিয়ায় ডাইনোসরের নতুন একটি প্রজাতির অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছে বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, ডাইনোসরের এই প্রজাতিটি এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া ডাইনোসরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া ১৫টি বৃহৎ ডাইনোসর প্রজাতির মধ্যে অন্যতম।

বিজ্ঞানীদের দাবি, টাইটানোসর প্রজাতির এই ডাইনোসোরটি ১০০ মিলিয়ন বা ১০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়াত। গত ১৫ বছর আগে এর ফসিল আবিষ্কৃত হয়, কিন্তু সম্প্রতি এ সম্পর্কিত প্রাথমিক গবেষণার পর নামকরণ করা হয়। উদ্ধারকৃত ফসিল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, এই ডাইনোসরটি ৯ কোটি ২০ লাখ থেকে ৯ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে পৃথিবীতে বিচরণ করত।

স্থানীয় সময় সোমবার (৭ জুন) এয়ারমঙ্গা ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম (ইএনএইচএম) এবং কুইন্সল্যান্ড মিউজিয়ামের গবেষকরা তাদের গবেষণা ফল পিয়ার জে সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশ করেন।

জার্নালে তুলে ধরা গবেষণার তথ্যের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সালে কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকেঞ্জির ফ্যামিলি ফার্ম থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে ডাইনোসরটির ফসিলের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে সেটিকে ২০০৭ সালে জনসম্মুখে আনা হয়। ফসিলটি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এই প্রজাতির ডাইনোসরের দৈর্ঘ্য ছিল ২৫ থেকে ৩০ মিটার (৮২ থেকে ৯৮ ফুট) এবং উচ্চতা ছিল ৫ থেকে সাড়ে ৬ মিটার (১৬ থেকে ২১ ফিট)। বিজ্ঞানীরা প্রজাতিটির নাম রেখেছেন ‘অস্ট্রালোটাইটান কুপারেনসিস’।

কুইনসল্যান্ড মিউজিয়ামের বিজ্ঞানী স্কট হকনাল বলেন, এটি যে একটি নতুন প্রজাতির ডাইনোসর সেটি নিশ্চিত করা খুবই কষ্টকর কাজ ছিল। এই প্রজাতির যেসব ডাইনোসরের ফসিল পাওয়া গেছে, তার সবগুলোর সঙ্গে এর ফসিল তুলনা করা হয়। পাশাপাশি সেগুলোর থ্রিডি বিশ্লেষণও করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যেখানে এই ফসিলটি পাওয়া যায় তার আশপাশে এ ধরনের আরও ফসিল পাওয়া গেছে। বিষয়টি রহস্যজনক। এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •