সিবিএন ডেস্ক:
২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা ঘোষিত সময়ে হচ্ছে না। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণেই পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে।

এ মাসের ১৯ তারিখ থেকে আসছে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তিন দিনে তিনটি বিভাগে এই ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এখন নতুন তারিখও ঠিক করা যাচ্ছে না।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মোট তিনটি পরীক্ষা হবে। তার মধ্যে একটি পরীক্ষা হবে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য, আরেকটি মানবিকের জন্য এবং অন্যটি ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য।

১৯ জুন মানবিক বিভাগের, ২৬ জুন বাণিজ্যের ও ৩ জুলাই বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো অনলাইনে নয়, সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন হবে উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। তবে কবে এই পরীক্ষা হবে, তা অনিশ্চিত। বলে রাখা ভালো, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও আর্থিক খরচ কমাতে গুচ্ছভিত্তিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিতে ভর্তির তালিকায় রয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই গুচ্ছে থাকা সিলেটে অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, আসলে ভর্তি পরীক্ষা না পিছিয়ে কোনো উপায় নেই। প্রাথমিক আবেদনের কাজই শেষ করা যায়নি। চলমান বিধিনিষেধের পর প্রাথমিক আবেদনের জন্য ১০ দিন সময় বাড়ানো হবে। যদি ১৬ জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ থাকে, তাহলেও প্রাথমিক আবেদন করতে ২৬ জুন পর্যন্ত চলে যাবে। তারপর আবার চূড়ান্ত আবেদন। এক্ষেত্রে সময় লাগবে। এমন অবস্থায় কবে নাগাদ এই পরীক্ষা হবে, তার তারিখও ঘোষণা করা যাচ্ছে না। আগামী শুক্রবার সভা করে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানিয়ে দেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •