ফেসবুক কর্ণার:
মাতারবাড়ী সড়কের দারাখাল ব্রীজ এর পশ্চিমে প্রকল্পের প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলায় জনসাধারণে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । দারাখাল হয়ে বর্জ্য গুলো পানির স্রোতে সরাসরি চলে যাচ্ছে কোহেলীয়া নদীতে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা দেখে ও না দেখার ভান করে থাকায় মাতারবাড়ী সহ উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ দিন দিন মারাত্বক বিপন্ন হচ্ছে।
সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায়, গত ৫ জুন শনিবার পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার এর নেতৃত্বে মাতারবাড়ীর বিধ্বস্ত বেড়ীবাঁধ পরিদর্শনে যান । এ সংবাদ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা ঐ দিন মাতারবাড়ীতে যান । যাওয়ার সময় দারাখাল ব্রীজের পাশে বৈর্জের ডিপু দেখে অনেকে ক্যামরাবন্ধী করেন। বিষয়টি জানার জন্য প্রকল্পে কর্মরত বিভিন্নজনের সাথে ফোন করে জানা যায়, যে সব বৈর্জ্য ফেলা হয়েছে তা আন্তর্জাতিক ঠিকাদারী প্রতিষ্টান সুমিতোমুর। সুমিতোমুর সাবঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে ট্রিপগার্ড। উক্ত সাব ঠিকাদারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামাল এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্টান। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কামাল এন্টার প্রাইজ এসব বৈর্জ্য ফেলার জন্য চকরিয়া পৌরসভার সাথে চুক্তি না করায় এ প্রতিষ্টানের সমস্ত বৈর্জ্য মাতারবাড়ীসহ আশে-পাশের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ভাবে ফেলে আসছেন। যার কারণে পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে দিন দিন।
এ বিষয়ে ট্রিপগার্ড মাতারবাড়ী প্রকল্পে দায়িত্বরত সেফটি অফিসার রানা থেকে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। কামাল এন্টারপ্রাইজের মালিক কামাল থেকে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অপরদিকে এসব বর্জ্য অপসারণের দেখাবাল করার জন্য দায়িত্বে থাকা এন জে বি সি’র মাতারবাড়ী শাখায় দায়িত্বরত সানাউল্লাহ কফিল থেকে বিষয়টি জানার জন্য ফোন করা হলে ফোনটি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি ।
অপরদিকে চকরিয়া পৌরসভায় কর্মরত এক অফিসার থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বৈর্জ্য অপসারণের জন্য কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থাকলেও তাদের সাথে চুক্তি করে প্রকল্পের বৈর্জ্য ফেলছেন অরবি এন্টার প্রাইজ ও গিয়াস উদ্দীন এন্টার প্রাইজ দুইটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

আবু বক্কর ছিদ্দিক -ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •