সিবিএন ডেস্ক:
গত বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেট বক্তৃতার মাধ্যমে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এবারের বাজেট মোট জিডিপির ১৭.৪৭%। এই বাজেটের মধ্যে ঘাটতি রয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। ঘাটতি জিডিপির ৬.২%।

ঘাটতি মেটাতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আরও নতুন নতুন খাত খুঁজে বের করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এবারে জেনে নিন আপনার প্রতি ১০০ টাকা কর কোথায় কোথায় কোন কোন খাতে কত খরচ হবে।

করের সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য মঞ্জুরিতে। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে এই সাহায্য মঞ্জুরি করা হয়। প্রতি ১০০ টাকা করের ১৯.১ টাকা এই খাতে খরচ করা হবে।

করের টাকার দ্বিতীয় শীর্ষ খরচের খাত সরকারি কর্মচারিদের বেতন-ভাতা পরিশোধের খাত। নতুন অর্থবছরে করের প্রতি ১০০ টাকার ১৯ টাকাই এই খাতে খরচ করা হবে।

দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে করদাতাদের প্রতি ১০০ টাকায় খরচ করতে হবে ১৮.৭ টাকা। এটি করের অর্থ খরচের তৃতীয় বৃহৎ খাত। করের ১২.৬ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের ভতুর্কি ও প্রণোদনায় যা খরচের চতুর্থ বৃহৎ খাত।

এছাড়া পণ্য ও সেবা খাতে ৯.৯ টাকা এবং পেনশন পরিশোধে ৭.৭ টাকা খরচ হবে। বিভিন্ন সম্পদ সংগ্রহ করতে গিয়ে খরচ হবে করের ৫.৯ টাকা। পাশাপাশি অনুন্নয়ন ব্যয় ৩ টাকা, অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য ২.৮ টাকা এবং বাকী ১.৩ টাকা বিবিধি খাতে খরচ করা হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •