এস. এম. তারেক, ঈদগাঁও:
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এবং পূর্ণিমার জোয়ারের প্রভাবে কক্সবাজার সদরের উপকূলীয় ইউনিয়ন সমুহের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভেঙ্গে গেছে বেড়িবাঁধ। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে কয়েক কোটি টাকার লবণ ও ঘেরের মাছ। ভেঙ্গে যাওয়া বেড়ি বাধের সবগুলো অংশই হচ্ছে ফোল্ডার ৬/৬৩ এর অধীন।
ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, তাঁর ইউনিয়নের কৈলাশের ঘোনাস্থ ইসলামের লবণ মিল পয়েন্ট ভেঙ্গে গেছে এবং লবণ ও মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পোকখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিক আহমদ জানান, তাঁর ইউনিয়নের ফরাজী ঘোনা সংলগ্ন নেচার মেম্বারের পয়েন্ট জোয়ারের পানির তোড়ে ভেঙ্গে গেছে এবং বাইরের ঘোনার বিস্তীর্ণ মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে ভাঙ্গনকৃত অংশ স্বেচ্চাশ্রমে এলাকাবাসী পুণঃনির্মানের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।
চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল জানান, তাঁর ইউনিয়নের জাহান মিয়া ঘোনা পয়েন্টে ২ টি এবং মনু খালের গোড়া পয়েন্টে ১টিসহ বেড়ীবাধের মোট ৩টি অংশ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে এবং এলাকার লবন চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
জাহান ঘোনার একটি অংশ চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুলের নেতৃত্বে এলাকার কয়েকশ স্বেচ্চাসেবী পুণঃনির্মাণ করে ফেলেছেন বলে জানান।
এদিকে ওইসব ইউনিয়নের ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাধ পরিদর্শনে করেছেন কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, সুপার্ভিশন অফিসার নারায়ন বাবু এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার সুইটি।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •